নিখোঁজের চার দিন পর খুলনার রূপসা নদী থেকে খুলনা জিলা স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র রাফির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রূপসা খেয়াঘাট থেকে মরদেহটি উদ্ধার হয়। শুক্রবার আছরের নামাজ পড়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাসায় ফেরেনি রাফি।
রাফি রূপসা স্ট্যান্ড রোডের ডা. আলতাফ আলী লেনের একটি বাড়ির ভাড়াটিয়া মো. রফিক শেখের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, সকাল ৭টার দিকে লবণচরা থানাধীন রেলব্রিজ এলাকার নদীর মাঝখানে ছোট বাচ্চার মরদেহ ভাসতে দেখে রাফির পরিবারকে বিষয়টি জানায়। পরিবারের সদস্যরা সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রূপসা খেয়াঘাট এলাকা থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে।
রাফির ছোট মামা আল আমিন বলেন, ‘শুক্রবার বিকাল থেকে নিখোঁজ ছিল রাফি। অনেক খোঁজার পর মঙ্গলবার সকালে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নৌ পুলিশকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে।’
৩০ নং ওয়ার্ড কার্যালয়ের পাশে রাফির মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা রফিকুল শেখ। তাকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে অনেকেই শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েন।
স্থানীয় বাসিন্দা রেজাউল শেখ বলেন, ‘ঘটনার দিন এশার নামাজের শেষে রাফি বাড়িতে না ফিরলে সমস্ত স্থানে মাইকিং করা হয়। নদীপথে আমরা বটিয়াঘাটা পর্যন্ত তার সন্ধান চালিয়েছি। কিন্তু কোথাও খোঁজ পাওয়া যায়নি। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশকে সংবাদ দেওয়া হলেও ৯টা পর্যন্ত তারা ঘটনাস্থলে আসেনি। পরবর্তী সময় আমরা নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করে ৩০নং ওয়ার্ড কার্যালয়ে নিয়ে আসি।’









