জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশের মানুষ এখন রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। তারা দখল, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিনির্ভর রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করতে চায়।’
শনিবার রাতে পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বিকাল থেকে শুরু হওয়া এ জনসভা চলে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত।
নির্বাচনি মাঠে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, ‘সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই জামায়াতের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। জনগণের ম্যান্ডেট পেলে আধিপত্যবাদবিরোধী, সৎ ও যোগ্য প্রতিনিধিদের নিয়ে মানবিক কল্যাণভিত্তিক সরকার গঠন করা হবে।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জামায়াত এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির কোনও ঠাঁই থাকবে না। নাগরিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা হবে এবং রাষ্ট্র ক্ষমতার প্রদর্শক নয়, বরং জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করবে।’
তিনি অতীতের রাজনৈতিক দমন-পীড়নের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘একসময় দেশে ভয় ও নিপীড়নের রাজনীতি কায়েম হয়েছিল, যেখানে মানুষের বাকস্বাধীনতা পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়। আগামী দিনে কোনও অবস্থাতেই সেই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া হবে না।’
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে ইনসাফভিত্তিক ও ফ্যাসিবাদমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে অংশ নিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
পাবনা জেলা জামায়াতের আমির ও পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডলের সভাপতিত্বে জনসভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভা পরিচালনা করেন জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুল গাফফার খান, সহকারী সেক্রেটারি আবু সালেহ মো. আবদুল্লাহ ও এসএম সোহেল।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন– জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ এবং সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম।









