মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় একটি ফিলিং স্টেশনে সিরিয়াল ভেঙে আগে তেল নেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগে বিএনপির এক নেতাকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার গোপালনগর গ্রামে ‘রূপক ফিলিং স্টেশনে’ এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার বিএনপি নেতার নাম আব্দুল ওহাব বুলবুল। তিনি গাংনী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। এ ব্যাপারে জানতে আব্দুল ওহাব বুলবুলকে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি।
দুজন প্রত্যক্ষদর্শী ও রূপক ফিলিং স্টেশনের এক কর্মচারীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে সকাল থেকে ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। দুপুরে দুপুরে মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল নিতে আসেন বুলবুল। এ সময় সিরিয়াল ভেঙে আগে তেল নেওয়ার চেষ্টা করলে অপেক্ষমাণ অন্যদের সঙ্গে প্রথমে তার কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী ও স্থানীয় কয়েকজনের মধ্যে সংঘর্ষ লেগে যায়। তখন উপস্থিত কয়েকজন বুলবুলকে মারধর করেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফিলিং স্টেশনের এক কর্মচারী জানান, ঘটনার সময় সেখানে কোনও পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন না। পরে আহত অবস্থায় তাকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাস বলেন, ‘খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
রুপক ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার কামাল হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দুপুরে ওই বিএনপি নেতা নিজের মোটরসাইকেলে তেল নিতে আসেন। সকাল থেকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন সাধারণ মানুষজন। ওই নেতা লাইনে না দাঁড়িয়ে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তেল নেওয়ার চেষ্টা করেন। তখন পাম্পের কর্মচারীরা তেল দিতে না চাইলে বাগবিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে অন্যান্য মোটরসাইকেল চালকরা এগিয়ে এসে ওই নেতাকে মারধর করে ফিলিং স্টেশন থেকে বের করে দিয়েছেন।’









