নিখোঁজ হওয়ার পর ৩৮ দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত খোঁজ মেলেনি গৃহবধূ হীরা বেগমের (২৪)। স্বজনদের সন্দেহ তাকে ভারতে পাচার করা হয়েছে। এদিকে মাকে খুঁজে ফিরছে হীরার সাড়ে ৩ বছরের মেয়ে। হতভাগ্য পরিবারটির অভিযোগ, পুলিশ তাদের কোনও সহযোগিতা করছে না। তাই তারা জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। যদিও পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
নিখোঁজ হীরা বেগম বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার কাকার বিল গ্রামের শেখ এসকেন্দার আলীর স্ত্রী।
হীরার মা তাছলিমা বেগম বলেন, গত ৩ মার্চ সকালে তার মেয়ে শশুর বাড়ি থেকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে যাওয়ার কথা বলে বের হয়। এরপর থেকে সে আর বাড়ি ফেরেনি। তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ রয়েছে। তার মেয়ের জামাই কচুয়া থানায় একটি জিডি করেছেন। বিষয়টি এলাকার মেম্বার ও চেয়ারম্যানসহ অনেককে জানিয়েছেন।
আরও পড়তে পারেন:
তিনি আরও বলেন, “নিখোঁজের দুদিন পর একবার হীরের সঙ্গে কথা হয়েছিল। ওই সময় হীরা বলেছিল, ‘মা আমাকে সাতক্ষীরা থেকে ভারতের বর্ডারে নিয়ে আসছে।’ মনে হলো কেউ তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। এরপর আর কোনও খবর পাওয়া যায়নি। আমার মেয়েকে ভারতে পাচার করা হয়েছে।’
হীরার বাবা আনছার মোল্লা বলেন, অনেক খোঁজ নিয়ে জানতে পারি চিকিৎসার জন্য হীরা বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর গোয়ালমাঠ এলাকায় আসলে সুজন সরদার নামে একজন তাকে আত্মীয় পরিচয় দিয়ে স্থানীয় হেমায়েত ডাক্তারের চেম্বারে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। এরপর সে নিখোঁজ হয়। হীরার সন্ধানের জন্য কচুয়া থানা পুলিশের সহায়তা নিতে একাধিকবার গিয়েও কোনও ফল পায়নি।
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শমসের আলী বলেন, হীরা বেগমকে উদ্ধারের জন্য পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত আছে। সন্দেহকারীকে আটক করতে পারলে মূলতথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাবে। আর পুলিশের অসযোগিতার প্রশ্নই ওঠে না।
আরও পড়তে পারেন
/এসটি/







