রাজশাহীতে আবাসিক হোটেল থেকে উদ্ধার হওয়া দুই শিক্ষার্থীর লাশ ময়নাতদন্ত শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল থেকে লাশ দুটি হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরও পড়তে পারেন: রানা প্লাজা ট্রাজেডির তিন বছর আজ
এ ব্যাপারে রাজশাহী বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদত হোসেন খান বলেন, লাশ দুটি তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমরা তদন্তে জানতে পেরেছি, মিজান তার কথিত প্রেমিকাকে কৌশলে রাজশাহীতে ডেকে এনে হোটেলে ওঠেন। এরপর তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। এরপর মিজান আত্মহত্যা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মিজানের আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হতে আরও দুই একদিন সময় লাগবে।
আরও পড়তে পারেন: আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে রাবি শিক্ষক হত্যাকাণ্ডের খবর
এদিকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে শনিবার বেলা ১২টার দিকে লাশ দুটির ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) ও হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের ডা. এনামুল হক বলেন, শিক্ষার্থী সুমাইয়া নাসরিনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার মাথায় ও মুখে জখমের চিহ্ন করেছে। অপরদিকে মিজানুর রহমান শ্বাসরোধ হয়ে মারা গেছেন। সে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়তে পারেন: সহ-পাইলটকে সরিয়ে ককপিটে এয়ার হোস্টেজকে বসালেন পাইলট!
রাজশাহী বোয়ালিয়া থানার উপ পরিদর্শক (এস আই) সাহারুল আলম বলেন, শনিবার দুপুরে মেয়ের বাবা ও গাইবান্ধা জেলায় কর্মরত গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক আবদুল করিম অজ্ঞাতদের আসামি করে থানায় মামলা করেছেন।
প্রসঙ্গত, রাজশাহী মহানগরীর সাহেব বাজার এলাকায় অবস্থিত নাইস ইন্টারন্যাশনাল আবাসিক হোটেলের কক্ষে সম্প্রতি দুই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের একজন হলেন বগুড়া শহরের উপশহর এলাকার বাসিন্দা আবদুল করিমের মেয়ে সুমাইয়া নাসরিন (২১)। তিনি পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। অন্যজন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার পাঠানপাড়া গ্রামের ওমেদ আলীর ছেলে মিজানুর রহমান (২৩)। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তারা হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে উঠেছিলেন বলে জানা গেছে।
/এমপি/








