ভোলার মনপুরায় ৬ মাসের গর্ভবতী কিশোরী গৃহবধূ ফাতেমাকে (১৫) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে পলাতক স্বামী মনির হোসেন হাওলাদারকে (২০) বৃহস্পতিবার (২৬ মে) আটক করেছে মনপুরা থানা পুলিশ। এর আগে বুধবার (২৫ মে ) বিকেলে মনপুরার হাজিরহাট ইউনিয়নের চর ফৈজুদ্দিনের গগন মেম্বারের বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার থানায় হত্যা একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃস্পতিবার সকাল ৮টায় মনপুরা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আলী জংলারখাল থেকে ফাতেমার স্বামী পলাতক মনির হোসেনকে আটক করেন।
বুধবার সন্ধ্যায় হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেন মনপুরা থানার ওসি মো. শাহীন খান। তিনি আরও জানান, মৃত ফাতেমার পিঠে আঘাতের অসংখ্য চিহ্ন রয়েছে বলে পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আটককৃত মনির স্ত্রীকে পেটানোর কথা স্বীকার করে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ছোট ভাইদের পিঠা না দেওয়ায় রাগান্বিত হয়ে তাকে ( ফাতেমা) চড় দিই। পরে আমি ঘর থেকে বের হয়ে যাই। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে এসে দেখি ফাতেমা ঘরের আড়কাঠের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়েছে। ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাকে আমি নিচে নামাই। পরে ভয় পেয়ে পালিয়ে যাই।
স্থানীয়রা জানান, চট্রগ্রামের বাঁশখালী থানার পশ্চিম বলীগাঁও গ্রামের ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. জসিম উদ্দিনের মেয়ে ফাতেমা ও মনপুরা চরফৈজুদ্দিন গ্রামের গগন মেম্বারের ছেলে মো. মনির হাওলাদার পরস্পরকে ভালোবেসে সাত মাস আগে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে প্রায় প্রতিদিন দুজনের ঝগড়া হতো।
আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২
/এইচকে/








