ভোলা গণপূর্ত বিভাগে থোক বরাদ্দের টাকায় প্রকল্প বাছাই ও টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। একাধিক ঠিকাদার অভিযোগ করেছেন এখানে প্রকল্প নির্বাচন ও টেন্ডার নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী দু’টি থানা ভবন নির্মাণসহ বেশ ক’টি নির্মাণ কাজের কম দরে দাখিল করা টেন্ডার গায়েব করে উক্ত কাজের দাখিলকৃত সব টেন্ডার উচ্চ দরে সাবমিট দেখিয়ে গোপন দফারফার মাধ্যমে প্রাক্কলিত মূল্যের বেশি দরে কার্যাদেশ দিয়ে সরকারের লাখ লাখ টাকা লোকসান করেছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন ভুয়া প্রকল্প তৈরী করে পছন্দের ঠিকাদারদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান, বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী বদরুল আলম খান ভোলায় যোগদানের পর ছোট কাজও পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে লটারির মাধ্যমে বন্টন করতেন। ক্রমে তার কাজে অনিয়ম প্রকাশ পেতে থাকে। এখন বড় অংকের কাজ ছাড়া সাধারণ কাজের টেন্ডার বিজ্ঞাপন পত্রিকায় দেখা যায় না। অভিযোগ রয়েছে তার সহযোগিতায় বড় অংকের কাজ পলিটিক্যালি ‘ম্যানেজ’ করা হয়। সাধারণ কাজের ঠিকাদার নির্বাচনে ও চলে নানা রকম অনিয়ম।
ঠিকাদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে ভোলা গণপূর্ত বিভাগের মাধ্যমে স্বাস্থ্য বিভাগের প্রকল্প গ্রহণ আর বাস্তবায়নে হয় ব্যাপক অনিয়ম। বিশেষ করে মেরামত কাজের প্রাক্কলনে থাকে বিশাল ফাঁকি। কোনও কোনও ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প ও তৈরি করা হয়।
ঠিকাদাররা বলছেন গত পাঁচ বছরের হাতে নেওয়া বিভিন্ন প্রকল্প বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা করলে অনেক অনিয়ম বেরিয়ে আসবে। এখানে থোক বরাদ্দের টাকায় প্রকল্প গ্রহণেও চলে নানা রকম খেলা। এ ব্যাপারে ভোলা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বদরুল আলম খান এর বক্তব্য নেওয়ার জন্য চেষ্টা করেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইউনুছ অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন।
সাধারণ ঠিকাদাররা ভোলা গণপূর্ত বিভাগের নামে ওঠা বিভিন্ন অনিয়ম তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে ভোলা সদরের সংসদ সদস্য বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মো. হাফিজুর রহমান মুন্সির হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
আরও পড়ুন: পাটগ্রামে এক ইউপি সদস্যসহ ১৬ জুয়াড়ির কারাদণ্ড
/এইচকে/








