বরিশালের শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে কর্মবিরতি শুরু করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। একজন ইন্টার্ন নারী চিকিৎসকের সঙ্গে পটুয়াখালী পুলিশ লাইনের এক সদস্য অশালীন আচরণ করেন, এমন অভিযোগে শনিবার দুপুর ২টা থেকে কর্মবিরতি শুরু করেন এই চিকিৎসকরা। এর আগে তারা বিক্ষোভ মিছিল করে দায়ী পুলিশ সদস্যের শাস্তির দাবিও জানান।
ইন্টার্ন চিকিৎসক সাজিদুল করিম জানান, শুক্রবার দুপুরে হাসপাতালে আসা মনোজ কুমার নামে পটুয়াখালী পুলিশ লাইনে কর্মরত পুলিশের এক সদস্য মেডিসিন-১ ইউনিটে ভর্তি হন। ভর্তির পর সে দায়িত্বরত এক নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন। পরে অন্য ইন্টার্নরা খবর পেয়ে মনোজকে কক্ষ থেকে বের করে দেন।
ইন্টার্ন চিকিৎসক অনুপ সরকার জানান, গতকাল শুক্রবার থাকায় শনিবার বেলা ১২টার দিকে সকলের সিদ্ধান্তে পরিচালকের বরাবর পুলিশ সদস্যের ওই আচরণের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন। এরপর শনিবার বেলা ২টার দিকে ওই পুলিশ সদস্যের শাস্তির দাবিতে কর্মবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও ইন্টার্ন চিকিৎসক ইমরান হোসেন জানান, পুলিশ সদস্য এসে তার ভুলের জন্য ক্ষমা না চাইলে ইন্টার্নরা কর্মস্থলে যাবে না বলে একমত হয়েছেন।
শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডা. এস এম সিরাজুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার এক পুলিশ সদস্যের সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকের কথা কাটাকাটি হয়। সেই ঘটনার জের ধরে ওই চিকিৎসককে লাঞ্ছিত করা হয়। এর প্রতিবাদে শনিবার দুপুর ২টা থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি শুরু করেন।
বরিশাল কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. আলমগীর বলেন, বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। মনোজ কুমার নামের ওই পুলিশ সদস্য ঘটনার পর হাসপাতাল ছেড়ে চলে যাওয়ায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
আরও পড়ুন: গুপ্তহত্যাও বন্ধ করতে পারবো: প্রধানমন্ত্রী
/এমও/এইচকে/আপ-এমও








