পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের কালিকাঠি গ্রামের ফিরোজ মাঝি (২২) নামে এক যুবককে হত্যার দায়ে ৩ জনের ফাঁসি ও ৭ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৩১ জুলাই) দুপুরে পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এস এম জিল্লুর রহমান এ আদেশ দেন।
এছাড়া যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো কালিকাঠি গ্রামের রেজাউল খাঁন (২৪), শাহিনুর রহমান মোল্লা ওরফে শানু, মিজান বেপারী (২৭)। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো রেকসনা (৪০), নিজাম আকন(১৮), সুমন শেখ (২৩), ওমর ফারুক মিঠু (২৪), মামুন মাতুব্বর (১৯), লিমন তালুকদার (১৯) ও রাসেল (২২)। এদের মধ্যে রেজাউল ও শানু পলাতক।
আদালতের নথি সূত্রে জানা গেছে, নিহত ফিরোজ সম্পর্কে রেজাউলের ফুফাতো ভাই এবং তারা একই এলাকায় বাস করে। ফিরোজের বোনকে দীর্ঘদিন ধরে বিয়ে করার জন্য চাপ দিচ্ছিল রেজাউল। একসময় ফিরোজের মা তার মেয়েকে অন্যত্র বিয়ে দিয়ে দেন। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয় রেজাউল ও তার মা। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কয়েক দফা ঝগড়া বিবাদ ও সালিশের ঘটনাও ঘটে। ২০১২ সালের ৪ মার্চ রাতে মাহফিল থেকে কালিকাঠির বাড়িতে ফেরার পথে ওঁৎ পেতে থাকা রেজাউলসহ ১২ থেকে ১৩ জন ফিরোজকে কুপিয়ে তাদের বাড়ির উঠানে ফেলে রেখে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ফিরোজের মৃত্যু হয়।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি)অ্যাডভোকেট খান মো. আলাউদ্দিন,আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাড.আহসানুল কবীর বাদল।
/বিএল/








