নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বরিশালে পালিত হয়েছে মহান স্বাধীনতা দিবস। এ উপলক্ষে বরিশাল নদী বন্দরে নৌ বাহিনীর জাহাজ পরিদর্শনের আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠন আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করে।
সোমবার (২৬ মার্চ) দুপুর ২টা থেকে ৬টা পর্যন্ত বরিশাল নৌ বন্দরে নৌ বাহিনীর দুটি জাহাজ সর্বসাধারণের দেখার জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সব বয়সী দর্শনার্থীরা জাহাজ ঘুরে দেখার ও জাহাজ পরিচালনার বিভিন্ন বিষয় জানার সুযোগ পান। রঙ-বেরঙের পতাকা দিয়ে জাহাজ দুটি সাজানো হয়।
২৬ মার্চ সোমবার প্রথম প্রহরে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে স্বাধীনতা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানমালার শুরু হয়।
দিবসটির প্রথম প্রহরে বরিশাল নগরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) কার্যালয় সংলগ্ন স্বাধীনতা স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপারসহ সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা। একই সময় থেকে নগরের ত্রিশ গোডাউনের বধ্যভূমির স্মৃতিস্তম্ভেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। স্বাধীনতা স্তম্ভ ও বদ্ভভূমির স্মৃতিস্তম্ভে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।
এদিকে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে প্রতি বছরের মতো এবারও মুক্তিযুদ্ধের কথা, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, মুক্তিযুদ্ধের তথ্য ও দলিলপত্র প্রদর্শনীসহ নানা কর্মসূচি নিয়ে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করেছে বরিশাল রিপোটার্স ইউনিটি।
সকাল ৮টা ১০ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে সারাদেশের সঙ্গে একযোগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন কর্মসূচি পালন করা হয়। যেখানে শিক্ষার্থীসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাধারণ মানুষ স্বতস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
পরে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আনুষ্ঠানিকভাবে প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন বিভাগীয় কমিশনার মো. শহীদুজ্জামান। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ছাড়াও কুচকাওয়াজে অংশ নেয় পুলিশ, আনসার, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। কুচকাওয়াজ শেষে মনোজ্ঞ ডিসপ্লে প্রদর্শন করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।








