ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালের গৌরনদীতে বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভা হামলা চালিয়ে পণ্ড করে দিয়েছে। হামলাকারীরা বিএনপির ৮ নেতাকর্মীকে আহত করে। তাদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় একটি ১টি মোটরসাইকেল। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গৌরনদী পৌরসভার তিকাসার এলাকায় উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আঃ মান্নান খানের বাড়িতে আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। ছাত্রলীগ এ ঘটনার দায় অস্বীকার করেছে। ঘটনাস্থল থেকে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক লাখেরাজ কসবা গ্রামের আবুল হোসেন বেপারী (৪২)কে আটক করেছে পুলিশ।
বিএনপি নেতা আঃ মান্নান খান অভিযোগ করেন, মরহুম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে তিকাসার এলাকায় তার বাড়িতে বুধবার সকাল ১০টার দিকে আলোচনা সভা শুরু হয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হিমেল মিয়ার নেতৃত্বে ছাত্রলীগের ১৫/২০ নেতাকর্মী লাঠিসোটা হাতে হামলা চালিয়ে সভা সভা পণ্ড করে দেয়।
হামলাকারীরা উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হাওলাদার, পৌর যুবদলের যুগ্ম-সম্পাদক লিটন খান, উপজেলা যুবদলের কর্মী শাহাবুদ্দিন বেপারী, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রুবেল গোমস্তা, এসএম হীরা, এনাম তালুকদার, পৌর ছাত্রদল নেতা মশিউর শরীফসহ যুব ও ছাত্রদলের ৮নেতাকমীকে পিটিয়ে আহত করে। এ সময় পৌর যুবদলের যুগ্ম-সম্পাদক লিটন খানের মোটর সাইকেল ভাঙচুর করে তারা। হামলাকারীদের ভয়ে আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসা না নিয়ে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছে।
উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুবায়েরুল ইসলাম সান্টু ভুঁইয়া বলেছেন, ‘এ হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগের কোন নেতাকর্মী জড়িত নয়। এখানে বিএনপি তিন ভাগে বিভক্ত। তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে বিএনপির এক পক্ষ অপর পক্ষের ওপর হামলা করেছে বলে আমরা শুনেছি।’
গৌরনদী থানার ওসি মুনিরুল ইসলাম মুনির বলেছেন, ‘এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঘটনাস্থল থেকে নয়, গেরাকুল এলাকা থেকে বিস্ফোরক মামলার আসামি বিএনপির কর্মী আবুল হোসেন বেপারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’








