বরিশালে মোটরসাইকেল চোর চক্রের মূল হোতাসহ ২ জনকে আটক করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। রবিবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আটককৃতরা হলো, চক্রের মূল হোতা মুলাদীর চিলমারী গ্রামের শাহ আলম ওরফে আব্দুর রবের ছেলে সাইফুল ইসলাম বাদশা ও গৌরনদীর নলচিড়া ইউনিয়নের কলাবাড়ীয়া এলাকার মোস্তফা জামান সরদারের ছেলে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা সজল সরদার।
আটক বাদশা বরিশাল এবং ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তিন শতাধিক মোটরসাইকেল চুরি করেছে বলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। এসব চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রিতে সহযোগীতা করতো নলচিড়ার ছাত্রলীগ নেতা সজল সরদার। বাদশার বিরুদ্ধে ধর্ষণের একটি এবং চুরির অভিযোগে ৩০টির বেশি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোশারফ হোসেন।
অভিযান পরিচালনাকারী কোতোয়ালি মডেল থানার এস আই মহিউদ্দিন মাহি জানান, গত ২৩ অক্টোবর বরিশাল নগরীর বেলতলা থেকে বেল্লাল নামে এক ব্যক্তির বাসার সামনে থেকে দিনে দুপুরে একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। পরে সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে চোরকে সনাক্ত করে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন মোটরসাইকেলের মালিক বেল্লাল হোসেন। দীর্ঘ এক মাস তদন্ত শেষে গত শনিবার রাতে নগরীর নতুন বাজার এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চোর চক্রের হোতা সাইফুল ইসলাম বাদশাকে আটক করে পুলিশ।
পরে আটক বাদশা পুলিশকে জানায়, বেলতলা থেকে চুরি করা মোটরসাইকেলটি গৌরনদীর সজল সরদারের কাছে বিক্রি করেছেন। সজল বরিশাল নগরীতেই অবস্থান করছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ওই রাতেই নগরীর জিয়া সড়ক এলাকা থেকে সজল সরদারকে চোরাই একটি মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়। আটককৃতদের মোটরসাইকেল চুরির মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রবিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো।








