ঝালকাঠিতে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান খান বাপ্পীসহ দলটির ২২ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে বাপ্পীকে বরিশাল থেকে আটক করে পুলিশ। আটকের বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তফা কামাল মন্টু বলেন, ‘আমাদের নেতাকর্মীদের আটক করা হচ্ছে। ঝালকাঠির কোথাও নির্বাচনি পরিবেশ নেই।’ ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোনিত কুমার গাইন বলেন, ‘আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
পুলিশ জানায়, বুধবার রাতে আটক ২২ জনের মধ্যে সদর থেকে চার জন, রাজাপুরে ১০ জন, নলছিটিতে ৬ জন ও কাঠালিয়া থেকে ২ জনকে আটক করা হয়েছে।
ঝালকাঠি জেলা বিশেষ শাখার ইন্সপেক্টর আব্দুল হান্নান শেখ জানান, আটকদের বিষেয়ে সঠিক তথ্য এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে তফসিল ঘোষণার পর ৫০ জনের বেশি বিএনপি নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
দলীয় নেতাকর্মীদের আটকের বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তফা কামাল মন্টু বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ ঝালকাঠির কোথাও নেই। ঘুমন্ত মানুষকে তুলে নিয়ে বিশেষ ক্ষমতায় গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে। এই হচ্ছে তাদের গণতন্ত্র। তফসিল ঘোষণার পর থেকে কাউকে গ্রেফতার বা হয়রানি করা হবে না বলে ঘোষণা দেওয়া হলেও, এখন পর্যন্ত জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নুপুর, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান খান বাপ্পীসহ অর্ধশতাধিক নেতাকমীকে আটক করা হয়েছে। অনেককেই পুরোনো মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।’
এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ও আত্মীয়ের বাসা থেকে বিএনপি নেতাকর্মীদের আটক করা হচ্ছে। নির্বাচনি প্রচারণাতো দূরে থাক গ্রেফতার আতঙ্কে নিরাপদ আশ্রয়েও থাকতে দেওয়া হচ্ছে না।’








