বিদেশি গরু না আসলে লাভের আশা খামারিদের

রাজিব বসু, পটুয়াখালী
০৫ আগস্ট ২০১৯, ১০:৩২আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০১৯, ১০:৪৬

পটুয়াখালীর একটি গরুর খামার ঈদুল আজহার উপলক্ষে পটুয়াখালীর খামারিরা দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করেছেন। গো-খাদ্যসহ অন্যান্য জিনিসের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় গতবারের চেয়ে এবার গরুর দাম বেশি। তবে বিদেশি গরু না আসলে দেশীয় খামারিরা পশুর ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন। যদি শেষ মুহূর্তে বিদেশ থেকে গরু আসে তাহলে ক্ষতির সম্মুখীন হবেন বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

খামার মালিক আবু বকর সিদ্দিকি বলেন,  ‘আমার খামারে ছোট, বড় মাঝারি সব মিলিয়ে ৭০টি গরু রয়েছে। মাঝারি আকৃতির গরুর দাম ৮০-৯০ হাজার। বড় গরু এক থেকে দেড় লাখ টাকা বিক্রির আশা করা হচ্ছে। আমি দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করেছি। আশা করি এবার গরু বিক্রি করে লাভবান হতে পারবো। তবে এবার কোরবানিতে যদি বিদেশ থেকে গরু আসে তাহলে ক্ষতির মুখে পড়তে হবে খামারিদের। সরকারের কাছে আমাদের আবেদন যেন বিদেশ থেকে গরু আসতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখে।’

গরু ব্যবসায়ী মোকলেস জানান, ১৫ বছর ধরে তিনি গবাদি পশুর ব্যবসা করছেন। তার খামারে ভুষি, খড়, ভাত, কুড়া, খৈল, ও ঘাসই গরুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়। গরু মোটাতাজা করতে কোনও ওষুধ ব্যবহার করেন না। ওষুধে গরুর লিভার নষ্ট হয়ে যায়। ওই মাংস খাওয়াও নিরাপদ নয়। এবার গরু লালন-পালন, গো-খাদ্য ও আনুষাঙ্গিক জিনিসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই গরুর দামও একটু বেশি। গতবার যে গরু ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি সেই গরুর দাম এবার ৭০-৮০ হাজার টাকা।

জেলা প্রাণী সম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর পটুয়াখালীর ৩ হাজার ১৮ খামারে  ৯ হাজার ৯২২টি ষাঁড়, ২ হাজার ১২৬টি বলদ, এক হাজার ৬২২টি গাভি, ৮০০টি মহিষ, ৪ হাজার ৯৬৪টি ছাগল ও ৩১টি ভেড়া প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়াও ১ লাখ ১৮০০টি পশু পারিবারিক পর্যায়ে লালন-পালন করা হচ্ছে।

জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আনোয়ার হোসেন জানান, কোরবানি উপলক্ষে ১৪২ জন কসাইকে মাংস প্রক্রিয়াজাতের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। গবাদি পশুকে স্টেরয়েড দিয়ে যাতে মোটাতাজা করা না হয় এ বিষয়ে খামারিদের সতর্ক করা হয়েছে। পটুয়াখালীতে চাহিদা অনুযায়ী পশু রয়েছে। গরুর হাট-বাজার ও খামারে তদারকি করতে মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। তবে কোরবানিতে যদি পার্শ্ববর্তী  দেশে থেকে গরু আসে তাহলে খামারির ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

/এসটি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম