ঝালকাঠি সদর উপজেলার ৮ নং বাসন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনিরের গ্রামের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা আড়াই টন চাল ত্রাণের চাল নয়। চাল উদ্ধারের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি একথা জানিয়েছে।
কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আরিফুল ইসলাম জেলা প্রশাসকের কাছে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এ প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
একটি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে ৫ এপ্রিল রাত ৯ টায় ইউপি সদস্য মনিরের বাড়িতে অভিযান চালায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এনডিসি) আহম্মেদ হাসান। এসময় মনিরের বাসা থেকে আড়াই টন চাল, ৪৮টি নুরজাহান ব্র্যান্ডের নতুন প্লাস্টিক বস্তা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম সম্বলিত ৭টি চটের সরকারি খালি বস্তা জব্দ করে নির্বাহী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
এ ঘটনায় ৬ এপ্রিল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আরিফুল ইসলামকে প্রধান করে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ৩ সদস্যের এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
ঘটনার পর ইউপি সদস্য মনির নিজেকে নির্দোষ দাবি করে জেলা খাদ্য গুদামের একটি কাগজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে বলেন, এই চালের মালিক তিনি নিজেই। এমপি আমির হোসেন আমুর নামে এলাকায় বিতরণের জন্য এই চাল তিনি কিনেছেন।
মনির বলেন, ‘রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হেয় করতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে। আগামী নির্বাচনে আমি চেয়ারম্যান নির্বাচন করবো বলে তারা আমার বিরুদ্ধে ষঢ়যন্ত্র করছে।’
এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আরিফুল ইসলাম জানান, এটা ত্রাণের চাল না। তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসক স্যারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।








