বরিশাল শের-ই বংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (২ ডিসেম্বর) রাতে রেজাউল করিম (৩০) নামে এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের নির্যাতনে তার মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিচার দাবি করেছেন নিহতের স্বজনরা। অভিযোগ তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার।
কেন্দ্রীয় কারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১ জানুয়ারি) রাতে রেজাউল করিম গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ওই দিন রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে তাকে শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাত ১২টা ৫মিনিটে তার মৃত্যু হয়। এলএলবি পাশ রেজাউল দুই ভাইয়ের মধ্যে বড়। তার স্ত্রী রয়েছে।
নিহতের পিতা ইউনুস মুন্সি জানান, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর সাগরদী হামিদ খান সড়কের পাশের একটি চায়ের দোকানে বসেছিল রেজাউল করিম। এ সময় নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মহিউদ্দিন তাকে মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক করে। তার কাছ থেকে ১৩৮ গ্রাম গাঁজা এবং ৪ পিস নেশাজাতীয় ইনজেকশন উদ্ধারের দাবি করে ওই দিন রাত সাড়ে ১১টায় কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে শুক্রবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শাহ আলম জানান, শরীরিক ক্ষত নিয়ে জেলখানায় আসে রেজাউল। তবে স্পর্শকাতর উল্লেখ করে এ ঘটনায় কিছুই বলতে রাজি হননি শের-ই বাংলা মেডিক্যালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান বলেছেন, ‘এ ঘটনা তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’









