বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম কেউটিয়া গ্রামে শত্রুতামূলক মহসিন সিকদারের বসতঘর আগুনে পুড়ে গেছে। এতে নগদ প্রায় আড়াই লাখ টাকা, ১৪টি দলিল ও স্বর্ণালংকারসহ ২০ লাখ টাকার মালামাল ছাই হয়েছে। তবে ওই পরিবারের ৭ সদস্য অক্ষত আছেন।
মহসিন জানান, প্রতিদিনের মতো সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে পরিবারের ৭ সদস্য খাবার খেয়ে ঘুমাতে যান। গভীর রাতে ঘরের পশ্চিম কোণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এরপর ধোঁয়ার গন্ধ আসায় বিছানা থেকে উঠে টিন পিটিয়ে পরিবারের সব সদস্যকে জাগিয়ে ঘর থেকে বের করেন। এ সময় পাশের বাড়ির লোকজন টের পেয়ে তারাও ছুটে আসেন। কিন্তু ধারে কাছে কোনও জলাশয় না থাকায় তাদের চোখের সামনে ঘর ও ঘরে থাকা মালামাল ছাই হয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, ঘরে নগদ ২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা ছিল জমির দলিল করার জন্য। ওই টাকা পুড়ে গেছে। ২০০৫ সালে বসত ঘরটি উত্তোলন করেন। ঘরের ভিতর ৩৫ মণ চাল, ফ্রিজ, স্টিল ও কাঠের আলমারি, খাট ও ২০টি মুরগিসহ বিভিন্ন ধরনের আসবাবপত্র ছিল। এছাড়া ১৪টি দলিল ও মেয়েদের ৩ ভরি স্বর্ণও পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
মহসিনের অভিযোগ পরিকল্পিতভাবে কেউ এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকবেন। তিনি জানান, ২০০৫ সালে ৩ একর ৯৭ শতাংশ জমি ক্রয় করে সেখানে বসত ঘরটি উত্তোলন করে বসাবাস শুরু করেন তিনি। জমির মালিককে ৯ লাখ ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। আগামী সোমবার বাকি ২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা দিয়ে দলিল করার কথা ছিল। এ কারণে ওই টাকা জোগাড় করে ঘরে রাখা হয়।
মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় ঘটনাস্থলে থাকা মেহেন্দীগঞ্জ থানার এসআই মো. মিজান বলেন, ‘ঘরের রান্নাঘর থেকে আগুন লাগেনি তা নিশ্চিত। ক্ষতিগ্রস্ত মহসিন স্থানীয় আলতাফ হাওলাদার ও মেয়েজামাই নিজাম হাওলাদারকে অভিযুক্ত করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’









