বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় গৃহবধূ মিতু বেগমের আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় গ্রেফতার স্বামী ও শ্বশুরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রবিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তাদের দুজনকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেন। আসামিরা হলো, রাকিব সরদার ও তার বাবা আব্দুর রাজ্জাক সরদার। একই উপজেলার সাকোকাঠি গ্রামের বাসিন্দা তারা।
মিতু বেগম উপজেলার আধুনা গ্রামের আব্বাস বেপারির মেয়ে।
গৌরনদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় নিহত মিতুর বোন রিতু খানম বাদী হয়ে রাকিব সরদার ও রাজ্জাক সরদারকে আসামি করে রবিবার ভোররাতে গৌরনদী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। বিকালে গ্রেফতারকৃতদের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠান।
মামলার বাদী জানান, প্রেমের সম্পর্কে গত বছরের মার্চ মাসে মিতুর সঙ্গে রাকিবের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগেই থাকতো। সর্বশেষ শনিবার সকালে মিতু বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে গেলে রাকিব ও রাজ্জাক অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে। এরপর মিতু কীটনাশক পানে অসুস্থ হয়ে পড়ে। মুমূর্ষু অবস্থায় দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মিতুর মরদেহ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মিতুর মরদেহ সকালে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।









