মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের চর সেলিমপুরের ক্বেরাতুল কোরআন মাদ্রাসায় গোসল না করায় শিশু শিক্ষার্থী মাহিনের বুকে আগুনের ছ্যাঁকা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ‘মোহতামিম’ আল আমিনের বিরুদ্ধে।
২৩ ডিসেম্বর বিকালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান শিশুটির বাবা নূরে আলম। মুলাদী থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছেন বলে জানান।
মাহিনের বাবা নূরে আলম অভিযোগ, ২৩ ডিসেম্বর শীতের কারণে শিশু মাহিন গোসল না করতে চাওয়ায় আল আমিন বিকালে তাকে জোর করে পানিতে চেপে ধরেন। ঠাণ্ডায় কাঁপুনি উঠলে আল আমিনসহ অন্যান্য শিক্ষকরা মাহিনকে তুলে এনে আগুনের ছ্যাঁকা দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে মাহিনের পরনের কাপড়ে আগুন ধরে বুকের সিংগভাগসহ শরীরের বিভিন্ন স্থান পুড়ে যায়। শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে গৌরনদী আশুকাঠি হাসপাতালে ভর্তি করে।
পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা মাহিনকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠান। সেখানে দুই বার তার অস্ত্রোপচার করা হয়। সম্প্রতি তাকে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে।
নূরে আলম জানান, বর্তমানে মাহিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে।
মাদ্রাসার মোহতামিম আল আমিন এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, মাহিন গোসল করে শীতে কাঁপছিল। তাই তিনি তাকে মাদ্রাসার রান্নার কাজে ব্যবহৃত চুলার পাশে দাঁড়াতে বলেন। এসময় অসাবধানতায় মাহিম চুলার মধ্যে পড়ে যায়।
এসআই বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ও ভিকটিমের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/এইচকে/








