পিরোজপুর সদর উপজেলার ৭ নম্বর শংকরপাশা ইউনিয়নে নির্বাচনি সহিংসতায় পিরোজপুর পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল মাহাবুব শুভ গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নাসির উদ্দিন মাতুব্বরের গুলিতে তিনি আহত হন। শুভর বাসা পিরোজপুর শহরের উকিলপাড়া সড়কে।
শংকরপাশা ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী তোফাজ্জেল হোসেন মল্লিকের চাচাতো ভাই নজরুল ইসলাম বলেন, শংকরপাশা ইউনিয়নের ঝাউতলায় সভা শেষে প্রার্থী তোফাজ্জেল হোসেন মল্লিক বাড়িতে ফিরছিলেন। তার বহরে ছিল ১৫ থেকে ২০টি মোটরসাইকেল। রাত পৌনে ৮ টার দিকে মোটরসাইকেলের বহর মল্লিকবাড়ি স্ট্যান্ডে পৌঁছে। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. নাসির উদ্দিন মাতুব্বরের কার্যালয় থেকে আনারস আনারস বলে স্লোগান উঠে। এ সময় আমাদের লোকজনের ওপর ইট-পাটকেলও নিক্ষেপ করা হয়। তখন মোটরসাইকেলে থাকা আমার ভাইয়ের কর্মীরা বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. নাসির উদ্দিন মাতুব্বরের লোকজনের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী নাসির উদ্দিন মাতুব্বর গুলি চালান। এতে পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল মাহাবুব শুভ গুলিবিদ্ধ হন।
নৌকা প্রতীকের নেতাকর্মীরা পরে শুভকে উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এছাড়া আহত স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মেহেদী হাসান সিকদারকেও খুলনায় পাঠানো হয়েছে।
পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মোল্ল্যা আজাদ হোসেন বলেন, শংকরপাশা ইউনিয়ে নির্বাচনি সহিংসতায় ফয়সাল মাহাবুব শুভ নামে একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ সময় দু’পক্ষের মধ্যে সংর্ঘষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী নাসির উদ্দিন মাতুব্বরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।









