বরিশাল-পিরোজপুরের দুই উপজেলায় ব্যাপক হারে ফুলের চাষ হচ্ছে। এ দুই উপজেলায় প্রায় ৫০০ হেক্টরের বেশি জমিতে ফুল চাষ হচ্ছে। তবে ব্যাংক ঋণ, নায্য মূল্যে বীজ, সার, কীটনাশক, হিমাগার, পরিবহন, প্যাকেজিং সুবিধা না পাওয়ায় এই উদ্যোগ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়তে পারছে না।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই দুই উপজেলায় প্রায় ২ হাজার নার্সারির অধিকাংশ শ্রমিকই নারী। এ খাতে অন্তত ১০ হাজার নারী কর্মরত রয়েছে। আর এর ফলে নারীদের জীবন-মানেও উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে ।
পিরোজপুরের স্বরুপকাঠী উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রথীন কুমার ঘরামী জানান, উপজেলার ১,৭৮৩ নার্সারিতে এ বছর ৪৮৪ হেক্টর জমিতে এ বছর ফুলের চাষ হচ্ছে। গত বছর ১,৭৫০ নার্সারিতে ৪৪০ হেক্টর জমিতে এই চাষ হয়েছে।
সংলগ্ন বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা অলিউল ইসলাম জানান, এবছর এ উপজেলায় ৬৮টি নার্সারিতে ৩২ একর জমিতে ফুল অন্যান্য নার্সারি উৎপাদিত হয়েছে। গত বছর ৬০টি নার্সারিতে ২৫ হেক্টর জমিতে এ চাষ হয়।
স্বরূপকাঠী উপজেলার বৈশাখী নার্সারির শাহাদাত হোসেন জানান তিনি ৩ একর জমিতে গাদা,জিনিয়া,গ্লাডিওলাস,গোলাপ সহ শীত ও গ্রীষ্মকালের উপযোগী ফুলের চাষ করছেন। এই কাজে নিয়োজিত রয়েছে ১০ নারী শ্রমিক। অন্তত ৩লাখ টাকা এ খাতে খরচ হয়েছে। যা মওসুমে ৫লাখ টাকার মত উঠে আসবে বলে মনে করছে।
বরিশালের বানারীপাড়ার উদয়কাঠীর সুকন্যা নার্সারির সুফলা জানায় ১ হেক্টও জমিতে গাদাও গ্লাডিওলাস,জিনিয়া সহ মৌসুমী ফুলের জাষ করেছেন। তিনি জানান ১ লাখ টাকা ব্যয়ে ফুলের চাষ করলেও ব্যাংক ঋৃণ না পাওয়ায় বড়ো আকারে এই চাষ সম্ভব হচ্ছেনা।
আকলিমা,আসমা কাজ করেন স্বরুপকাঠীর কিবরিয়া নার্সারিতে । তারা জানান এখানে পার্টটাইম কাজ করেন। কাজ থাকলে প্রতিদিন ৩শ টাকা করে মজুরী পাওয়া যায়। যা দিয়ে সংসারের দৈনন্দিন খরচ চালাতে, ছেলেমেয়েদের স্কুলে পড়াতে পারছেন।
/এসটি/








