বিদ্যুৎ বিভাগের এক কোটি ৩৯ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) খুলনা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ দুজনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ৩৫ লাখ টাকা করে ৭০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে তাদের।
মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) বিকালে আসামিদের উপস্থিতিতে বরিশালের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মেহেদি আল মাসুদ এ রায় দেন। একই রায়ে পিজিসিবি খুলনার সাবেক সিকিউরিটি পরিদর্শক (বর্তমানে ঢাকার রামপুরা আফতাব নগরের ন্যাশনাল লোড ডেসপ্যাচ সেন্টারে কর্মরত) আনোয়ার হোসেনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী লক্ষ্মী নারায়ণ ভূঁইয়া ও ভান্ডারিয়া গ্রিড উপ-কেন্দ্রের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) হানিফ হোসেন গাজী। লক্ষ্মী নারায়ণ পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া গ্রামের সত্য নারায়ণ ভূঁইয়ার ছেলে ও হানিফ হোসেন নগরীর কাজীপাড়া এলাকার হাসমত আলী গাজীর ছেলে।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) একেএম নুরুউদ্দীন আহমেদ মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী লক্ষ্মী নারায়ণ বরিশাল গ্রিড সংরক্ষণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী থাকাকালীন ভান্ডারিয়া গ্রিড কেন্দ্র থেকে কচা নদীর পূর্বপাড় পর্যন্ত পরিত্যক্ত সঞ্চালন লাইনের এক কোটি ৩৬ লাখ ৬৭ হাজার ৫৪৭ টাকার মালামাল আত্মসাৎ করেন। এ ঘটনায় ২০১৭ সালের ২০ আগস্ট দুদকের বরিশাল জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মতিউর রহমান বাদী হয়ে তিন জনকে আসামি করে ভান্ডারিয়া থানায় মামলা করেন। ২০১৮ সালের ২১ জানুয়ারি ওই তিন জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন বাদী ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় মামলার রায় দেন বিচারক।’









