বরিশালের মুলাদী উপজেলার কাঠেরপুল এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা থামিয়ে দুটি এজেন্ট ব্যাংক পরিচালনাকারী মুফতি নুরুল আলমের কাছ থেকে ৬৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। নুরুল আলম মুলাদীর দরিচর-লক্ষ্মীপুর এলাকার মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে এবং প্যাদার হাট ও খাসের হাটে তার ইসলামী ব্যাংকের দুটি এজেন্ট ব্যাংক রয়েছে। এছাড়া তিনি হজে লোক পাঠানোর কাজ করেন। নুরুল আলম মুলাদী উপজেলা ইমাম সমিতির সহ-সভাপতি।
মুলাদী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নুরুল আলম বলেন, সোমবার (২৫ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে তার পরিচালিত দুটি এজেন্ট ব্যাংক থেকে ৩৩ জন ওমরাহ পালনকারীর ৬৪ লাখ ৪২৫টাকা নিয়ে মুলাদী উপজেলায় ইসলামী ব্যাংকে জমা দিতে যাচ্ছিলাম। কাঠেরপুল এলাকা অতিক্রমের সময় পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা মুলাদী ইউনিয়নের মেম্বার সাখাওয়াত হোসেন মল্লিক ও তার ভাই এনায়েত হোসেন মল্লিক এবং সহযোগী অনিক সিকদারসহ ৭/৮ জনের একটি দল অটোরিকশার গতিরোধ করে। এ সময় তারা টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায়। পরে কাজীরহাটে গিয়ে একটি মোটা কাঠ দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আমার একটি হাত ভেঙে দেয়। বিষয়টি পুলিশকে জানালে অবস্থা আরও ভয়াবহ হবে বলেও হুমকি দেয়।
নুরুল আলম অভিযোগ করেন, সম্প্রতি মেম্বর সাখাওয়াত ও তার ভাই এনায়েত আমার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদার টাকা না দেওয়ায় তারা ক্ষিপ্ত ছিল। এ ঘটনার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে এ ছিনতাই এবং আমাকে মারধর করা হয়েছে।
মুলাদী থানার ওসি এসএম মাকসুদুুর রহমান বলেন, ঘটনা শোনার পরপরই দুই জন এসআইকে ছিনতাই এবং মারধরের ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। সেখানে প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে এরসঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। দোষীদের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।
/টিটি/









