বরিশালের গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে বিভিন্নস্থানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলায় বিএনপির অন্তত পাঁচ শাতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি উঠেছে। সমাবেশ শেষে রবিবার (৬ নভেম্বর) দলের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।
নগরীর একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় সাংবাদিক সম্মেলনে বরিশালে বিভাগীয় গণসমাবেশের সমন্বয়ক প্রফেসর ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কীর্তনখোলার তীরে টাকা উড়ছে বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান। তিনি বলেন, টাকা দিয়ে ওবায়দুল কাদের উড়তে পারেন, কিন্তু বরিশালের জনগণ টাকায় ওড়ে না।
গণসমাবেশের টিম লিডার হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, সমাবেশস্থলে যাতে নেতাকর্মী ও সমর্থক এবং সাধারণ জনগণ যাতে না আসতে পারেন, এ জন্য সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু তাতেও বিএনপির পক্ষে গণজোয়ার ঠেকাতে পারেনি সরকার। বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ সমাবেশে পৌঁছে গেছেন। এ সময় তাদের ওপর বিভিন্ন স্থানে হামলা চালানো হয়। কুপিয়ে আহত করা হয়। এতে আমাদের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। এর মধ্যে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ও বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতে বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী চিকিৎসা নিয়েছেন।
গৌরনদীতে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনসহ বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের গাড়ি বহরে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় মামলা ও গ্রেফতারের ঘটনাও ঘটেছে।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে যেসব নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা করা হয়েছে সবকিছুর তথ্য নিয়ে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের অবহিত করা হয়। সমাবেশ সফল হওয়ায় সবার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. বিলকিস জাহান শিরীন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নু, আকন কুদ্দুসুর রহমান, মহানগর বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, সদস্য সচিব মীর জাহিদুল কবীর, উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক দেওয়ান মো. শহীদুল্লাহ প্রমুখ।









