সিরিয়াল নিয়ে দ্বন্দ্বে বরিশাল-মাদারীপুর রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার থেকে ওই রুটে চলাচলকারী বিএমএফের ছয়টি বাসের সঙ্গে লোকাল বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন বরিশাল-মাদারীপুর রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা।
রবিবার (২ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা গেছে, ওই রুটের বিএমএফ পরিবহনের কাউন্টার ও মাদারীপুরের লোকাল বাস কাউন্টারও বন্ধ রয়েছে।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে একাধিক চালক ও শ্রমিক জানান, বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের নিয়ন্ত্রিত বিএমএফ পরিবহনের ব্যানারে ৬৫টি বাস চলাচল করে। এর মধ্যে পাঁচজন বাস মালিক নেতার মালিকানাধীন বরিশাল-মাদারীপুর রুটে বিএমএফ বাস রয়েছে ছয়টি। এর মধ্যে বরিশালের কেন্দ্রীয় বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কিশোর কুমার দের রয়েছে দুইটি বাস। মাদারীপুর ও ফরিদপুরের বাস মালিকরাও রয়েছেন। ওই ছয়টি বাস ইচ্ছেমত যখন যে রুটে যাত্রী বেশি থাকে সেই রুটে চলাচল করায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।
তারা আরও জানান, শনিবার রাত ১১টার দিকে সিরিয়াল দ্বন্দ্বে মাদারীপুরে বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সদস্য ও মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রইজ আহমেদ মান্নার মালিকানাধীন আহমেদ পরিবহনের শ্রমিকদের সঙ্গে মাদারীপুরের বাস শ্রমিকদের মারামারি হয়। এরপর থেকেই বন্ধ রয়েছে বিএমএফ পরিবহন এবং মাদারীপুর থেকে লোকাল বাসের চলাচল।
মাদারীপুরের যাত্রী সোয়েব আকতার বলেন, ‘বিএমএফ পরিবহন নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব লাগিয়ে সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগে ফেলেছে। এখন ভাঙ্গা ভাঙ্গা রুটে মাদারীপুর যেতে আর্থিক খরচের সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক কষ্টও বেড়েছে।’
বরিশাল বিএমএফ পরিবহন কাউন্টার ম্যানেজার মো. রনি বলেন, ‘সিরিয়াল নিয়ে ঝামেলার কারণে শনিবার রাত থেকে বরিশাল ও মাদারীপুর থেকে বিএমএফের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি সুরাহা হয়েছে। আশা করছি সোমবার থেকে বাস চলাচল করবে।’
এ ব্যাপারে বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক কিশোর কুমার দে জানান, ‘সিরিয়ালের দ্বন্দ্ব বলতে কিছু হয়নি। শ্রমিকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এর জের ধরে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে আগামীকাল থেকে বিএমএফ ও লোকাল বাস চলাচল শুরু হবে।’









