বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের নগরীর কাশিপুরে গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাককে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে যাত্রীবাহী বেপারী পরিবহনের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। এতে বাসটির সুপারভাইজার ও হেলপার নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা থেকে কুয়াকাটাগামী বাসটি এই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে আহত হয়েছেন সামনে থাকা আরও ছয় যাত্রী। অভিযোগ পাওয়া গেছে, চালক ঘুমিয়ে পড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- কুয়াকাটা-ঢাকা রুটের বেপারী পরিবহনের হেলপার মো. সোহাগ ও কুমিল্লার বাসিন্দা সুপারভাইজারের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
আহতরা হলেন- পিরোজপুরের নেছারবাদ উপজেলার উরিবুনিয়া এলাকার মোহাম্মদ ইমন, পটুয়াখালীর খাসেরহাট এলাকার মোহাম্মদ আরিফ, মহিপুরের একরামুল, পটুয়াখালীর গলাচিপার সোহাগ, বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাওকাঠি এলাকার মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান ও পটুয়াখালীর মহিপুরের মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত যাত্রী আরিফ জানান, শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা থেকে কুয়াকাটাগামী বাসটি দুর্ঘটনাকবলিত স্থান অতিক্রমকালে চালক আকস্মিক সামনে থাকা গ্যাস সিলিন্ডারভর্তি ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে বাসের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে হেলপার ও সুপারভাইজারসহ আট যাত্রী আহত হন। ট্রাকটি মহাসড়কের পাশে পুকুরে পড়ে যায়।
আহত এই যাত্রীর অভিযোগ, বাস চলাকালে চালক, হেলপার ও সুপারভাইজার ঘুমিয়ে পড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। চালকের পাশের বক্সে অবস্থান করায় তিনি বারবার লক্ষ্য করছিলেন ওই তিন জন ঝিমুনি দিচ্ছেন। তার ধারণা চালক ঘুমিয়ে পড়ায় গাড়ির গতি বেড়ে সামনে থাকা ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানার ওসি লোকমান হোসেন জানান, দুর্ঘটনার পরপরই বাসের চালক পালিয়েছে। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর হেলপার ও সুপারভাইজারকে মৃত ঘোষণা করেন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।









