নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তাল বঙ্গোপসাগর। চলছে টানা বর্ষণ। এ অবস্থায় পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমেছেন পর্যটকরা। ঢেউয়ের তালে তালে উল্লাসে মেতেছেন হাজারো পর্যটক। তবে তাদের নিরাপদে থাকতে মাইকিং করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। কিন্তু সেই নিষেধ উপেক্ষা করেছেন পর্যটকরা।
রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উত্তাল ঢেউ উপভোগ করতে আনন্দ উল্লাসে মেতেছেন হাজারো পর্যটক। অনেক পর্যটক নির্দেশনা মেনে সৈকতের পাশে বসেই উপভোগ করেছেন উত্তাল সমুদ্রের ঢেউ। কিন্তু বেশিরভাগ পর্যটক মানছেন না ট্যুরিস্ট পুলিশের নির্দেশনা।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, উত্তর-পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। আকাশ ঘন মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে। বাতাসের চাপ কিছুটা বেড়েছে। স্বাভাবিকের চেয়ে নদ-নদীর পানির উচ্চতাও কিছুটা বেড়েছে। বর্তমানে উপকূলের আকাশে কালো মেঘ জমে আছে এবং পর্যায়ক্রমে চলছে ভারী বর্ষণ।
ঢাকার বনানী থেকে কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটক দম্পতি ফাতেমা জোহরা-তাজউদ্দীন বলেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গোসল করেছি উত্তাল সমুদ্রে। একদিকে বৃষ্টি অন্যদিকে ঢেউ। বেশ আনন্দ করেছি। তবে সমুদ্র বেশি উত্তাল থাকায় এবং পানির স্রোত বেশি থাকায় সৈকতের খুব কাছেই ছিলাম।’
ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের পুলিশ সুপার আনসার উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ায় সমুদ্র উত্তাল। তাই পর্যটকদের নিরাপদে থাকার নির্দেশনা দিয়েছি আমরা। অনেকে নিষেধ উপেক্ষা করে উত্তাল সমুদ্রে গোসলে মেতেছেন। এজন্য মাইকিং করেছি বারবার। ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আমাদের টিম টহলে রয়েছে। পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় কাজ করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।’
জেলা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আক্তার জাহান বলেন, ‘বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে আরও একদিন। সঙ্গে বাতাসের চাপ আরও বাড়তে পারে। আবহাওয়ার এই পরিস্থিতি আগামী দুদিন অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সমুদ্র উত্তাল আছে। পর্যটকদের গোসলে নামার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’









