একুশ বছর জামায়াত কি রাজাকার ছিল না, প্রশ্ন সাঈদী পুত্রের

পিরোজপুর  প্রতিনিধি
০৮ আগস্ট ২০২৫, ১৯:২০আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২৫, ১৯:২০

পিরোজপুর-১ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাসুদ সাঈদী বলেছেন, ‘১৫ বছর আওয়ামী লীগ রাজাকার রাজাকার ব্যবসা করেছে। আজকে আমাদের কিছু বন্ধু আবার সেই রাজাকারের ব্যবসা শুরু করেছে। এতকাল আপনাদের সঙ্গে ছিল তখন কি তারা রাজাকার ছিল না? একুশ বছর জোট করে আন্দোলন করলেন, সংগ্রাম করলেন, কর্মসূচি পালন করলেন তখন জামায়াত ইসলামী রাজাকার ছিল না? তখন যদি জামায়াত রাজাকার না হয়ে থাকে আজকে হঠাৎ কেন জামায়াত রাজাকার হলো? এগুলো আপনাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রেখে গেলাম। এগুলো হলো ভারতের শেখানো কিছু কথা। বাংলাদেশকে বিভাজন করার কথা। বাংলাদেশে বিভাজনের যে রাজনীতি আওয়ামী লীগ করেছিল, ভারতের কিছু পোষ‌্য দালাল বাংলাদেশে আছে যারা এখনও আমাদের মধ্যে সেই বিভাজনের রাজনীতি শুরু করেছে।’

শুক্রবার (৮ আগস্ট) পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার শেখমাঠিয়া ইউনিয়নের খেজুরতলা বাজারে জনসংযোগকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

মাসুদ সাঈদী বলেন, ‘যে ভাষায় আওয়ামী লীগ কথা বলতো, রাজনীতি করতো আমাদের কিছু বন্ধুদের দেখি ওই একই ভাষায় কথা বলে। সেই একইভাবে রাজনীতি শুরু করেছে। যদি ভাষা, আচরণ ও জুলুমের পরিবর্তন না হয়- তাহলে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা কী দরকার ছিল। এত মানুষের জীবন দেওয়ার কী দরকার ছিল।’

এ সময় দাঁড়িপাল্লায় ভোট চেয়ে দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী বলেন, ‘৫০০ মানুষের জন্য যখন ইমাম নির্বাচন করেন মসজিদে, তখন আপনারা দেখেন সে নিজে নামাজি কি না তার পরিবার নামাজি কি না শরিয়ত মোতাবেক চলে কি না দুর্নীতি করে কি না এইসব দিক বিবেচনা করে একজন ইমাম নিয়োগ করেন। ৫০০ জনের জন‌্য একজন ইমাম নিয়োগ করতে যদি যাচাই-বাছাই করেন তাহলে তিন-চার লাখ মানুষের যে ইমাম হবে এই সংসদীয় আসনের যে ইমাম হবে- তাকে কি আপনারা এইভাবে বাছাই করবেন না? যদি এইভাবে বাছাই না করেন তাহলে নিশ্চিত থাকেন অতীতে যেভাবে ১৫ বছর জালিম জুলুম, নির্যাতন ও দুর্নীতি করেছে- আমাদের তকদিরে ঠিক একইভাবে সেই জালেম চেপে বসবে।’ 

এ সময় বক্তব্য রাখেন- উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সাকিবুল ইসলাম প্রমুখ।

/এফআর/
সম্পর্কিত
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
ইসলামী ব্যাংক নিয়ে টানাটানির সুযোগ দেওয়া হবে না: শফিকুর রহমান
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির নিন্দা জামায়াতের, বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ
সর্বশেষ খবর
কর্মসংস্থান রক্ষায় ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল আনলো বাংলাদেশ ব্যাংক
কর্মসংস্থান রক্ষায় ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল আনলো বাংলাদেশ ব্যাংক
মহাকাশ কম্পিউটিংয়ের প্রথম উদ্ভাবন কেন্দ্রের অনুমোদন চীনের
মহাকাশ কম্পিউটিংয়ের প্রথম উদ্ভাবন কেন্দ্রের অনুমোদন চীনের
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রাঘাতে ৬ জনের মৃত্যু, ৪ জনই গিয়েছিলেন আম কুড়াতে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রাঘাতে ৬ জনের মৃত্যু, ৪ জনই গিয়েছিলেন আম কুড়াতে
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের সংশোধন খসড়া অনুমোদন
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের সংশোধন খসড়া অনুমোদন
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী