বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে কক্সবাজারে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। বিকাল থেকে মাইকিং করে উপকূলীয় অঞ্চলের লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বলা হচ্ছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৪ হাজার স্বেচ্ছাসেবক ও ৫১৬টি আশ্রয় কেন্দ্র।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানিয়েছেন, রোয়ানু ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে সামান্য উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তাই জেলায় ৬ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করা হয়েছে ।
তিনি আরও জানান, সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থাকতে বলা হয়েছে। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে নৌকা মালিক ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা। জেলায় মাঝারি ও ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। পাহাড় ধসের বিষয়ে সতর্কাবস্থায় রয়েছে প্রশাসন।
কক্সবাজার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ-পুনর্বাসন অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম জানায়, কক্সবাজারে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় রেডক্রিসেন্ট কর্মী, মেডিক্যাল টিম, উদ্ধার কর্মী প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়াও প্রস্তুত রাখা হয়েছে, ৪ হাজার স্বেচ্ছাসেবক, ৫১৬টি আশ্রয় কেন্দ্র, শুকনা খাবার, বিস্কুট ও অন্যান্য জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জাম।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন জানান, দুর্যোগ মোকাবেলায় সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। স্ব-স্ব উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভারী বর্ষণ ও পাহাড় ধসের আশঙ্কায় শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজক সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ভোলা থেকে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা
/এনএস/এসটি/








