ফেনীর দাগনভূঞা পৌরসভার মেয়র গণ-শৌচাগার (পাবলিক টয়লেট) ভেঙে দোকান নির্মাণ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দাগনভূঞা পৌরসভার ওই মেয়রের নাম ওমর ফারুক খান। অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গণ-শৌচাগার ভাঙার জন্য তিনি নাকি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীর নাম ব্যবহার করেছেন। তবে মেয়র দোকান নির্মাণের কথা স্বীকার করলেও মন্ত্রীর নাম ভাঙানোর বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
দাগনভূঞা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল কায়েস রিপন বলেন, পৌরসভার জিরো পয়েন্টে গণ-শৌচাগার ভেঙে দোকান নির্মাণ করে যাচ্ছেন মেয়র। এমনকি ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে দোকান বরাদ্দের কথাবার্তাও চলছে। সমিতির সভাপতি জানান, অনেকেই তার কাছে অভিযোগ করেছেন, মেয়র শৌচাগার ভাঙার ক্ষেত্রে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীর নাম ব্যবহার করছেন।
বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, শৌচাগারের পাশেই বাস দাঁড়ায়। প্রতিদিন শত-শত যাত্রী ওই শৌচাগার ব্যবহার করত। কিন্তু এখন শৌচাগার দখল করে দোকান নির্মাণ করায় যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন।
শৌচাগারের তত্ত্বাবধায়ক জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘মাস চারেক আগে শৌচাগারটি দুই লাখ বিশ হাজার টাকায় আমাকে বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু মেয়র এখন সেটি কী কারণে ভাঙছেন, তা আমি জানি না। আমি আমার টাকা উদ্ধার নিয়ে চিন্তায় আছি।’
মেয়র ওমর ফারুক খান শৌচাগার ভেঙে দোকান নির্মাণের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘পৌরসভার উন্নয়নে দোকান নির্মাণ করে ভাড়া দেওয়া হবে।’ সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গায় পৌরসভা দোকান নির্মান করতে পারে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কিছু বলেননি। তবে সেতুমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করার বিষয়টি বানোয়াট বলে দাবি করেন মেয়র।
ফেনী সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী এয়াসিন আহম্মদ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, কেবল গণ-শৌচাগারের জন্য ওই জায়গা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
/এআরএল/
আরও পড়ুন :








