তিন দিনের সফরে বান্দরবানে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা। এদিকে, তার সফরের বিরোধিতা করে বান্দরবানে পার্বত্য গণ পরিষদ, বাঙালি ছাত্রপরিষদসহ বিভিন্ন বাঙালি সংগঠন শহরে কালো পতাকা উত্তোলন করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার বিকাল ৫টায় রাঙামাটি থেকে সড়ক পথে বান্দরবান এসে সার্কিট হাউসে অবস্থান করেন সন্তু লারমা। তার এই সফরের বিরোধিতা করে সকাল থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করে বাঙালি সংগঠনগুলো। দুপুরের দিকে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে তারা কালো পতাকা উত্তোলন করে।
এদিকে, তার সফরকে ঘিরে যেকোনও ধরনের অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মাঠে নামানো হয়েছে ডিবি পুলিশকে। শহরের বালাঘাটা , কালাঘাটা, সার্কিট হাউসসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশের বিপুল সংখ্যক সদস্য অবস্থান করছে।
আরও জানা গেছে, তিনদিন বান্দরবান অবস্থানকালে সোমবার সকালে বোমাং চিফ রাজা উচপ্রু চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তু লারমার। এছাড়াও স্থানীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগদান করার কথা রয়েছে তার।
এদিকে, গত ১৩ জুন রাতে জেলার রোয়াংছড়ির জামছড়ি থেকে জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য মংপু মারমাকে অপহরণ করা হয়। আর এ ঘটনার জন্য জেএসএসএর নেতাকর্মীদের নামে বান্দরবান সদর থানায় মামলা হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বান্দরবানের জেএসএস নেতারা গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে। তাই সন্তু লারমার বান্দরবান আগমনকে কেন্দ্র করে এই প্রথম জেএসএসএর নেতাকর্মীদের মাঠে দেখা যায়নি।
বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিক উল্লাহ বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
/বিটি/








