কুমিল্লার তিতাস উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেনসহ দুইজন সন্ত্রাসীদের গুলি ও চাপাতির কোপে নিহত হন। মনিরকে প্রথমে রাসেল নামে একজন গুলি করে বলে জানান তার গাড়িতে থাকা এক সহযোগী রবিউল হোসেন। মঙ্গলবার সকালে তিতাসের পাশের দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
রবিউল বলেন, ‘আমরা গাড়িতে ১১জন ছিলাম। এসময় সোহেল সিকদারের লোক রাসেল প্রথমে মনিরের ওপর গুলি চালায়। পরে জুলহাস,শাকিল, আহসানসহ অন্যরা হামলা চালায়। তারা প্রায় ১৪/১৫জন ছিল। আমরা পালিয়ে বেঁচে যাই।’
মনির হোসেনের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার বলেন, ‘প্রকাশ্য দিবালোকে তার স্বামীকে নির্মমভাবে গুলি করে এবং কুপিয়ে মারা হয়েছে। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন জানান, নিহতদের ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি। অপরাধীদের শনাক্ত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করে তিতাস উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল সিকদারকে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে সন্ত্রাসীদের গুলি ও চাপাতির কোপে তিতাস উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানসহ দুজন নিহত হন। এ ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছেন। তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতরা হলেন- জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনির হোসেন (৪৫)। তার গাড়ি চালক মহিউদ্দিন(২৫)। তিনি দাউদকান্দি উপজেলার সরকারপুর গ্রামের আবিদ আলীর ছেলে।
আহতরা হলেন- তিতাসের জিয়ারকান্দি গ্রামের সাইফুল ইসলাম (২৮) ও সুমন মিয়া(২০)। এ ঘটনার জন্য তিতাস উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল সিকদারকে দায়ী করেন মনির হোসেনের লোকজন।
দলীয় আধিপত্য বিস্তার, সিএনজি অটোরিকশার স্ট্যান্ডের চাঁদা নিয়ে কয়েকটি গ্রুপের সঙ্গে মনির হোসেনের বিরোধ ছিলো বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।
/এআর/








