নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেছেন, ‘আসন্ন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের কোনও কর্মকর্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কারও বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা বরদাশত করা হবে না। এক্ষেত্রে গাফিলতি হলে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। কুসিক নির্বাচন আমাদের ইসির জন্য এক কঠিন পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় আমাদের উত্তীর্ণ হতেই হবে।’
শনিবার কুমিল্লা টাউন হল মিলনায়তনে আসন্ন কুসিক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে নির্বাচনি আচরণবিধি ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা, বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু দুইজনই সুষ্ঠু নির্বাচন প্রত্যাশা করেন। তারা কেন্দ্রের কাছে যেন বহিরাগত যেতে না পারে সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি কামনা করেন। সাক্কু তার বক্তব্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের দাবি করেন। তিনি অভিযোগ করেন, সদর দক্ষিণের ধনাইতরী এলাকার তার এক কর্মী কুদ্দুস জামিনে থাকলেও পুলিশ ধরে নিয়ে হয়রানি করছে। তার উত্তরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এ অভিযোগ সত্য নয়।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. জাহাংগীর আলমের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, নির্বাচন কমিশনের সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, জেলা পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন।
স্বাগত বক্তব্য দেন রিটার্নিং অফিসার ও কুমিল্লার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মণ্ডল। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিজিবি কুমিল্লার সেক্টর কমান্ডার কর্নেল গাজী মো. আহসানুজ্জামান, ডিজিএফআইয়ের অধিনায়ক আ ফ ম আতিকুর রহমান, র্যাব-১১ এর ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানি-২ এর অধিনায়ক মেজর মো. মোস্তফা কায়জার।
মতবিনিময় সভায় নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় এবং অভিযোগ তুলে ধরে বক্তব্য দেন মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীরা।
/বিএল/







