ফেনীর ফুলগাজীতে মা ও মেয়েকে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি ফারুক ভূঁইয়া (৩৮)। জবানবন্দিতে তিনি বলেন, ‘ফাতেমাকে বাসায় গিয়ে বলেছিলাম কেন সে সবাইকে বলে বেড়াচ্ছিল আমি তাকে উত্ত্যক্ত করি। এরপর কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে মাথায় আঘাত করলে সে মারা যায়। এরপর তার মেয়ে ইশমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করি।’
সোমবার (৩০ মে) বিকালে ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্রুব জ্যোতি পালের আদালতে আসামি ফারুক ১৬৪ ধারায় এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জসিম উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে শুক্রবার (২৬ মে) সকাল ১১টার দিকে জিএমহাট ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুল হকের নেতৃত্বে এলাকাবাসী পূর্ব বশিকপুর গ্রামের শাহজাহান হুজুরের বাড়ি থেকে ফারুককে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
প্রসঙ্গত, বুধবার (২৪ মে) ফুলগাজীর জিএমহাটে ফাতেমাকে মাথায় আঘাত ও তার ৫ বছরের মেয়ে ইশমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।
/এআর/








