আপনারা বলেন উচ্ছেদ, আমি বলি উদ্ধার: ওবায়দুল কাদের

চট্টগ্রাম ব্যুরো
১৫ জুন ২০১৭, ১২:০২আপডেট : ১৫ জুন ২০১৭, ১২:১০

আপনারা বলেন উচ্ছেদ, আমি বলি উদ্ধার: ওবায়দুল কাদের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের চট্টগ্রামে বলেছেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ বসতির ক্ষেত্রে কোনও ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব সহ্য করা হবে না। এসব ক্ষেত্রে যেকোনও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ কঠোরভাবে মোকাবেলা করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘একজন জনপ্রতিনিধির প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ বসতিতে বসবাসকারী মানুষদের সরিয়ে নেওয়া। আপনারা এটাকে বলেন উচ্ছেদ, কিন্তু আমি বলবো উদ্ধার। উদ্ধারের জন্য প্রয়োজন হলে বলপ্রয়োগ করেও তাদেরকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনতে হবে।’
বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) চট্টগ্রাম নগরীর টাইগারপাসে বাটালিহিল পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। পাহাড় ধসের ঘটনা পরিদর্শনে এসে বুধবার মন্ত্রী রাঙামাটি ও বান্দরবান গেছেন। বৃহস্পতিবার তিনি চট্টগ্রামে পাহাড়ে উচ্ছেদ কার্যক্রমও পরিদর্শন করেন। পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় হচ্ছে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের তৎপরতা সহ্য করা হবে না।
মন্ত্রী বলেন, ‘পাহাড় ধসে যারা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন তাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। প্রাকৃতিক দুর্যোগ থাকবে কিন্তু দুর্যোগ মোকাবেলার ক্ষেত্রে আমরা প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে রি-অ্যাকটিভ (প্রতিক্রিয়ামূলক) ভূমিকা পালন করছি। বাট আওয়ার রুল শুড বি প্রো-অ্যাকটিভ।’
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘এ ধরনের দুর্যোগ যে আগামী বছর হবে না তা আমরা হলফ করে বলতে পারি না। এ দুর্যোগের জন্য আমি দায়ী করবো অপরিকল্পিত বসতি ও আমাদের মানসিকতা। গরিব মানুষ জানমালের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও বসতি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে চায় না। আমাদের উচিত যেতে না চাইলেও তাদেরকে জোর করে হলেও নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যেতে হবে। এছাড়া যারা উদ্ধার হয়েছে তাদেরকে বিকল্প পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।’
রাঙামাটিতে বেশি প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার কারণ হিসেবে ওবায়দুল কাদের বলেন, রাঙামাটিতে প্রতিরোধমূলক দেয়াল বা রিটেইনিং ওয়াল ছিল না।
তিনি বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ বসতিগুলো শুধুমাত্র শহরে নয় গ্রামেও রয়েছে। এখনও যেসব পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস রয়েছে সেগুলো অবিলম্বের সরাতে হবে।’
এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাসিরউদ্দিন, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জিল্লুর রহমান চৌধুরী, স্থানীয় সংসদ সদস্য আফসারুল আমিন ও স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর কবীর আহমেদ মানিক।
/এআর/এফএস/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম