ভারি বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলের কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ফেনীর ১৫ গ্রামের প্রায় এক লাখ মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। সূএ জানায় ,সদর উপজেলার শর্শদি ইউনিয়নের চারটি গ্রাম, দাগনভূঞা উপজেলার সিন্দুরপুর ও রাজাপুর ইউনিয়নের সাতটি গ্রামের জলাবদ্ধতার কোনও উন্নতি হয়নি। ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়ায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও ফুলগাজীর পাঁচটি গ্রামে এখনও পানি থই থই করছে।
দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ভূঁঞা বলেন, ‘উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের উত্তর কৈখালী, দক্ষিণ কৈখালী ও গৌতমখালী, সেকান্তরপুর, কৌশল্যা ও শরিফপুর গ্রামে বন্যা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হলেও সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে আছে। অনেক বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। পানির কারণে দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ কার্যক্রমসহ সব ধরনের কাজের মনিটরিং করা হচ্ছে।’
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, দাগনভূঞার শরিফপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খোলা আশ্রয়কেন্দ্র ঠাঁই নেওয়া লোকজনকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। ওই আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৫০টি পরিবার ঠাঁই নিয়েছে।
ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কিসিঞ্জার চাকমা বলেন, উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও আনন্দপুর ও জিএম হাট ইউনিয়নের পাঁচটি গ্রাম এখনো পানিতে তলিয়ে রয়েছে।
ফেনী সদর উপজেলার শর্শদি ইউপি চেয়ারম্যান জানে আলম ভূঞা জানান, তার ইউনিয়নের ৪টি গ্রাম এখনও দুই থেকে তিন ফুট পানির নিচে রয়েছে। স্থানীয় আবুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি ঢুকে গত এক সপ্তাহ পাঠদান বন্ধ রয়েছে। রবিবার (৩০ জুলাই) সকালে স্থানীয় সাংসদ নিজাম হাজারী ব্যক্তিগত তহবিল হতে প্রায় এক হাজার পরিবারের মধ্যে খাদ্য সমগ্রী বিতরণ করা হয়েছে । জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যার্ত মানুষের জন্য তিন মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
/এআর/








