কুমিল্লার মুরাদনগরে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে (১২) দুই বছর যাবত ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের কারণে শিশুটি এক পর্যায়ে অন্তসত্ত্বা হয়ে পড়ায় তাকে কৌশলে গর্ভপাত করিয়ে দেওয়া হয়। গর্ভপাতের পর শিশুটি এখন হাসপাতালে ধুঁকছে। ওই শিশুর বাবা বুধবার (৯ আগস্ট) থানায় মামলা দিলে পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে।
দুই বছর ধরে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার রাসেল (২২) মুরাদনগর উপজেলার যাত্রাপুর ইউপির ভবানীপুর গ্রামের আবদুল জলিলের ছেলে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, রাসেল নানা কৌশল ব্যবহার করে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। পরে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করে। একপর্যায়ে মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়লে পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে রাসেলকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। রাসেল কৌশল খাটিয়ে সবার অজান্তে মেয়েটিকে গর্ভপাতের ওষুধ খাইয়ে দেয়। ওষুধ খাওয়ার পর মেয়েটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এ অবস্থায় পরিবার তাকে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে মেয়েটি মৃত ছেলে সন্তান প্রসব করে। তারপর মেয়েটির শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে চিকিৎসক তাকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম বদিউজ্জামান বলেন, ‘মেয়েটির বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ প্রতারক রাসেলকে গ্রেফতার করে। এছাড়া রাসেলের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯এর (১) ধারায় প্রতারণা ও ধর্ষণের মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেফতারের পর বুধবার দুপুরে কুমিল্লা জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে।’
/এফএস/
আরও পড়ুন- মায়ের কোলে না ফেরা পর্যন্ত ঝুঁকিমুক্ত নয় তৌফা ও তহুরা








