ফেনীতে বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় গ্রেফতারকৃত তিন বিএনপি নেতাকর্মীকে এক দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালাতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ ।
রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন- জেলার সোনাগাজী পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল মোবারক ভিপি দুলাল, ফেনী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন বাবুল, যুমনা পরিবহনের পরিচালক শ্রমিক দল নেতা আবুল কাশেম মিলন।
ফেনী মডেল থানার ওসি রাশেদ খান চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, রিমান্ড শেষে তিন জনকে সদর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেনের আদালতে নেওয়া হলে আদালতের বিচারক তাদেরকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে গত ৫ নভেম্বর আদালতে গ্রেফতারকৃত বিএনপির ২১ নেতাকর্মীর মধ্যে ১৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। পরে ৭ নভেম্বর শুনানি শেষে তিন জনের রিমান্ডের আদেশ দেন আদালতের বিচারক।
প্রসঙ্গত, রোহিঙ্গাদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গাড়িবহর নিয়ে ঢাকায় ফেরার পথে ৩১ অক্টোবর বিকালে ফেনীর মহিপাল পার হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দুটি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় ফেনী মডেল থানা পুলিশের এসআই নুরুল হক বাদী হয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি বরাত ও সাধারণ সম্পাদক মামুনসহ ২৯ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৩০-৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পুলিশ ২২ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে। এর মধ্যে রয়েছেন ছাগলনাইয়ার শুভপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন আজাদ, জাহাঙ্গীর হোসেন, জাফর আহম্মদ, জয়নাল আবদীন, শাহাদাত হোসেন, মো. ফারুক, মো. আলমগীর হোসেন, মিশু, কামরুজ্জামান শিমুল ও জিকু। এরা সবাই বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল নেতাকর্মী।
বাস পোড়ানোর পরপরই ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয় চালক মো. হারুন অর রশিদ, মো. রাকিব হোসেন, সহকারী আবদুল মালেক, হেদায়েত উল্যাহ, শ্রমিক দল নেতা আবুল কাশেম মিলন ও ফেনী সদর উপজেলা ফাজিলপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নূরে সালাম মিলনকে। এরই মধ্যে গ্রেফতার ছাত্রদল নেতা নূরে সালাম মিলন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি ফেনী সদরের ফাজিলপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি।








