বিয়ের আসরে ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত হওয়ার পর বর ও কাজী পালিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) ফেনীতে এ ঘটনা ঘটেছে। লালপুর এলাকার আল মক্কা কমিনিউটি সেন্টারে বিয়ের আয়োজন করা হয়। বর-কনে উভয় পক্ষের লোকজনের খাওয়া-দাওয়াও শেষ। ঘড়িতে তখন দুপুর ৩টা। কাজী বিয়ের রেজিস্ট্রি শুরু করবেন। ঠিক তখন অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা।
বর মো. আলমগীর (৩০) ফেনী সদর উপজেলার কালিদহ ইউনিয়নের মফিদুল হকের ছেলে। কনে লেমুয়া ইউনিয়নের জসিম উদ্দিনের মেয়ে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে বাল্যবিয়ে শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার পরিকল্পনার অংশ হিসাবে ফেনী জেলা প্রশাসন এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।’
ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা বলেন, ‘কনের বাবা জানান তার মেয়ের প্রাপ্ত বয়স হয়েছে। জন্ম সনদও আছে। তবে সনদটি নিয়ে আমার সন্দেহ হয়। তখন আমি সদরের লেমুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে ফোন দেই। ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ উদ্দিন নাছিম। তখন মেয়ের বাবা স্বীকার করেন কম্পিউটারের মাধ্যমে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও সচিবের স্বাক্ষর জাল করেছেন তিনি। তখন পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বর মো. আলমগীর (৩০) ও কাজী আবু তৈয়ব অনুষ্ঠানস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে ১৮ বছরের পূর্বে মেয়ের বিয়ে দেবে না মর্মে তার বাবার কাছে থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়।’








