চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাট থানাধীন কদমতলীতে মো. হারুন (৩৫) নামে এক পরিবহন ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার সন্ধ্যা (৩ ডিসেম্বর) সাড়ে ৫টার দিকে শুভপুর বাসস্ট্যান্ডের বিপরীতে নিজ ব্যবসায়ের কার্যালয়ে বসা অবস্থায় দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হারুনের বাড়ি কদমতলীতে। তিনি প্রয়াত মহানগর বিএনপি নেতা দস্তগির চৌধুরীর ভাই আলমগীর চৌধুরীর ছেলে। হারুন পরিবহনসহ অন্যান্য ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি স্থানীয় সদরঘাট থানার যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বলে জানা গেছে।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, আজ সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে হারুনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চমেকে নিয়ে আসা হয়। পরে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে গেলে তিনি মারা যান।
নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঘটনার বিষয়ে শুনে আমরা সেখানে যাই। হারুনকে কী কারণে হত্যা করা হয়েছে এ ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত নই। তবে ধারণা করা হচ্ছে ব্যবসায়ী কোনও বিরোধ থেকে তাকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে।
তিনি আরও জানান, হারুনের পরিবহন ব্যবসাসহ অন্যান্য ব্যবসা রয়েছে। ব্যবসায়ের বিরোধ থেকেই তাকে খুন করা হতে পারে।
স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যা ৫টার দিকে শুভপুর বাসস্ট্যান্ডের পাস দিয়ে একটি আনন্দ র্যালি যায়। র্যালির পেছন থেকে হারুনকে গুলি করা হয়। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, আব্দুল কাদের (মাছ কাদের) ও মো. জুবায়ের যৌথ উদ্যোগে আনন্দ র্যালিটি বের করেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কাউন্সিল আব্দুল কাদের বলেন, ‘আমরা র্যা লি নিয়ে শুভপুর বাসস্ট্যান্ড দিয়ে আসার সময় পেছনের দিকে গুলির শব্দ শুনতে পাই। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি হারুন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছে। আমরা তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে পাঠাই। কে বা কারা তাকে গুলি করেছে এ বিষয়ে আমরা নিশ্চিত নই।








