কক্সবাজারের মহেশখালীতে বিধ্বস্ত বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে বিমান বাহিনীর ৫০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল থেকে তারা পৃথকভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ওই প্রতিনিধি দলকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করছে কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের একটি দল।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ সাফায়েত হোসেন জানান, আজ সকাল থেকে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর স্কোয়াডন লিডার মেজর নাজমুলের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন। তারা বিধ্বস্ত বিমানের ধ্বংসাবশেষ যেখানে পড়েছে সব জায়গা পরিদর্শন করেছেন এবং উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। বিমান বাহিনীর এই প্রতিনিধি দলতে সার্বিক সহযোগিতা করছেন কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের কর্মরত সদস্যরা।
উদ্ধার অভিযানে প্রতিনিধি দলের সঙ্গে থাকা মহেশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র সরওয়ার আজম বলেন, ‘সকাল থেকে বিমান বাহিনীর অফিসাররা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধ্বংসাবশেষ উদ্ধারে নামেন। উদ্ধার হওয়া ধ্বংসাবশেষ মহেশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে রাখা হচ্ছে। সেখান থেকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।’
প্রসঙ্গত, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মহেশখালী পৌরসভার দক্ষিণ পুটিবিলা এলাকায় বসতবাড়ির ওপর একটি বিমান এবং মাইঝপাড়া গ্রামের পানের বরজের ওপরে আরেকটি বিমান বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় চার পাইলটকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। এ বিষয়ে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চলছে বলে আইএসপিআর সূত্র জানিয়েছেন। এদিকে, বিমান দুর্ঘটনার পর থেকে ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতা ভিড় জমাচ্ছে। ধ্বংসস্তুপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
বিমানের অংশ খসে পড়ে লম্বাঘোনা বাজারে, এক কিলোমিটার দূরে গিয়ে বিধ্বস্ত







