চার নারী ধর্ষণের ঘটনায় জহিরুল ইসলাম (২৬) নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বুধবার (০৩ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঢাকার সায়েদাবাদ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ পর্যন্ত চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা।
গ্রেফতার জহিরুর ঝালকাঠি জেলার সুতারলি থানার কৃষ্ণকাঠি গ্রামের হানিফ হাওলাদারের ছেলে।
সন্তোষ কুমার চাকমা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মিজান মাতব্বরের জবানবন্দিতে মহিদুল নামে এক যুবকের সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে আসে। মিজান জবানবন্দিতে জানিয়েছে, ঘটনার দিন মহিদুলের পর আরও একজন ওই বাসায় ঢুকে। গ্রেফতার জহিরুল হচ্ছে সেই যুবক। অর্থাৎ ঘটনার সময় ওই বাড়িতে যে চার জন ঢুকেছিল জহিরুল তাদের মধ্যে একজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘মহিদুলের সঙ্গে ঘটনা আগে পরে একাধিকবার মোবাইলে কথা বলেছেন জহিরুল। সেই সূত্র ধরেই তাকে আজ (বুধবার) ঢাকার সায়েদাবাদ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে চট্টগ্রামে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
গত ১২ ডিসেম্বর কর্ণফুলী থানাধীন শাহমীরপুর এলাকার একটি বাড়িতে ডাকাতির পর ওই বাড়ির চার নারীকে ধর্ষণ করে ডাকাতরা। এ ঘটনায় প্রথমে মামলা নিতে গড়িমসি করে কর্ণফুলী থানা পুলিশ। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভুমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের হস্তক্ষেপে গত ১৭ ডিসেম্বর মামলা নেয় পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে প্রথমে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ মামলায় থানা পুলিশ ব্যর্থতার পরিচয় দিলে গত ২৬ ডিসেম্বর মামলার তদন্তভার নেয় পিবিআই। পিবিআই এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যে মিজান মাতব্বর ও আবু শামা নামে দুই জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। মিজান ২৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পরদিন ২৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় আবু শামা। একই দিন আবু শামার দেওয়া তথ্যে ভিত্তিতে আব্দুল হান্নান ওরফে হান্নান মেম্বার নামে আরেক জনকে গ্রেফতার করে পিবিআই।
আরও পড়ুন: গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে বাসে আগুন








