চট্টগ্রাম বন্দর এখন বিশ্বের ১০০টি কন্টেইনার পোর্টের মধ্যে ৭১তম স্থানে রয়েছে জানিয়ে নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ জট, কন্টেইনার জট ও ইক্যুইপমেন্টের যে সঙ্কট ছিল, তা আর নেই। এরমধ্যে আমরা সে সঙ্কট কাটিয়ে উঠেছি। চট্টগ্রাম বন্দর এখন বিশ্বের ১০০টি কন্টেইনার পোর্টের মধ্যে ৭১তম স্থানে উঠে এসেছে। আগামীতে আমরা ১০ নাম্বারের মধ্যে আসতে চাই।’ বৃহস্পতিবার (১৭ মে) বন্দরের এনসিটি ৫ নম্বর জেটিতে রেলমাউন্টেড গ্যান্ট্রি ক্রেন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় মন্ত্রী বন্দরের আরও নয়টি ইক্যুইপমেন্ট, রিভারমুরিং জেটি-৩ এবং নিরাপত্তা ভবনের উদ্বোধন করেন।
শাজাহান খান বলেন,‘আগামী ২০২০ সালে বে-টার্মিনাল ও পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) অপারেশনের যাবে। তখন চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে। এতে আমদানি রফতানিতে আরও গতিশীলতা আসবে।’
কোটা বিরোধী আন্দলনের বিষয়টি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি রাজাকার লিখে ঔদ্ধত্য প্রকাশের নাম আন্দোলন নয়। কোটা আন্দলনে নেতৃত্বদানকারীরা সাধারণ ছাত্রদের বিভ্রান্ত করেছে। ষড়যন্ত্রকারীরা আন্দোলনের নামে ছাত্রদের মাঠে নামিয়ে দিয়েছে। স্বাধীনতা বিরোধীদের সন্তানরা সরকারি চাকরি পাবে না। তাদের দেশ প্রেম নেই।’
বন্দর চেয়ারম্যান কমডোর জুলফিকার আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তারেকুল ইসলাম, বন্দর সদস্য (প্রশাসন) জাফর আলম, কমডোর খন্দকার আক্তার হোসেন, কমডোর শাহীন রহমানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।’
মাহবুবুল আলম বলেন,‘এ বন্দর দেশের অর্থনীতির হৃদপিন্ড। বন্দরের চাকা ঘুরলে দেশের অর্থনীতির চাকা ঘুরবে। বন্দরকে আরও গতিশীল করতে জেটি ও লাইটারেজ জাহাজা সঙ্কট নিরসন করতে হবে।








