কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালকদের সংঘর্ষে সাত পুলিশসহ ২০ জন আহত হয়েছে। এসময় হাইওয়ে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। শনিবার দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার হাড়ি সর্দার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ঘোলপাশা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কাজী জাফর আহমেদ বলেন, ভিতরের রাস্তায় চলাচলকারী ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালকদের মহাসড়কে ধরে এনে মারধর করে হাইওয়ে পুলিশ। এক প্রতিবন্ধী চালককে ধরে মারধর করার সময় অন্য অটোরিকশা চালকরা প্রতিবাদ করলে তাদের ১২/১৩ জনকেও পুলিশ মারধর করে। এসময় তিনি ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। মহাসড়কের পাশে মোটরসাইকেল রেখে লোকজনের কথা শুনার সময় তার মোটর সাইকেলে পেছনে এসে পুলিশের গাড়ি ধাক্কা দেয়। এনিয়ে জানতে চাইলে তারা তাকে ধাক্কা দেন। এতে স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে পড়ে।
চৌদ্দগ্রামের মিয়া বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মনজুরুল হক বলেন, ‘আমরা ওপরের নির্দেশে মহাসড়ক নির্বিঘ্ন রাখতে সেখানে চলাচল করা সিএনজি ও ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা আটক করি। শনিবার একটি অটোরিকশা আটক করি। পরে চালক প্রতিবন্ধী দেখে তাকে ছেড়ে দেই। এসময় স্থানীয় ঘোলপাশা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কাজী জাফর আহমেদ আমাদের গাড়ির সামনে তার মোটর সাইকেল নিয়ে বাধা দেয়। এক পর্যায়ে তিনি আমাদের অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন। তিনি গাড়ি ঘেরাওয়ের নির্দেশ দিলে তার তার শ্যালক মাসুমসহ স্থানীয়রা আমাদের লোকজনের ওপর হামলা করে। এসময় গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। তাদের হামলায় সার্জেন্ট আশিক,এসআই সিরাজুল এবং এএসআই দুলালসহ সাতজন আহত হয়েছে। আমাদের কাছে কোও অস্ত্র নেই, একটা লাঠি পর্যন্ত নেই। তাদের ওপর হামলার অভিযোগ সঠিক নয়।








