খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। বন্যায় খাগড়াছড়ি সদর, দীঘিনালা ও মহালছড়ি উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। সেখানে এখন ত্রাণ ও বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট দেখা দিয়েছে।
গত সোমবার (১১ জুন) দিবাগত রাতে হঠাৎ করে চেঙ্গী ও মাইনী নদীর পানি বেড়ে গিয়ে ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন অফিস আদালতে ঢুকে পড়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বুধবার সকাল থেকে বৃষ্টি না থাকলেও আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়স্থলে সরে যেতে প্রচারণা চালাচ্ছে।
কয়েকদিনের টানা বর্ষণে গত সোমবার রাত থেকে খাগড়াছড়ি সদর, দীঘিনালা, মহালছড়ি ও রামগড় উপজেলার চেঙ্গী, মাইনী ও ফেণী নদীর পানি বেড়ে গিয়ে প্রায় দশ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। তলিয়ে যায় খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম-ঢাকা আঞ্চলিক ও জেলার অভ্যন্তরীণ সড়কগুলো।
খাগড়াছড়ি পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শাহ আলম বলেন, ‘খাগড়াছড়ি পৌরসভার মুসলিমপাড়া, শব্দমিয়া পাড়া ও শান্তিনগর এলাকাসহ কিছু এলাকায় বন্যার পানি কমলেও এখনও অধিকাংশ তলিয়ে আছে।’
খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘সবকটি উপজেলায় দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি রয়েছে।
জেলার বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে দাবি করে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ত্রাণ পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।








