বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ধানে আক্রান্ত ক্ষতিকারক পোকামাকড় দমনে কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আলোক ফাঁদ পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে ধানের উৎপাদন ও খরচ দুটোই কমে যায়।
সম্প্রতি নাইক্ষ্যংছড়ি সদর উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে কৃষকরা সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের কয়েকটি জায়গায় আলোক ফাঁদ স্থাপন করেছে।
আলোক ফাঁদের সুফল সম্পর্কে নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের উত্তর বিছামারার কৃষক শাহআলম বলেন, ‘আমরা মনে করতাম ফসলের সব পোকাই ক্ষতি করে। তবে আজকে এই আলোক ফাঁদ স্থাপন করে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে জানতে পারলাম জমিতে উপকারী পোকাও থাকে। আলোক ফাঁদ ব্যবহারের মাধ্যমে উপকারী ও অপকারী পোকা শনাক্ত করে অপকারী পোকা দমন করা সহজ হয়েছে।’
কৃষক আলী আহমদ বলেন, ‘এ পদ্ধতিতে আমরা আগের চেয়ে কম খরচে ক্ষতিকর পোকা দমন করতে পারছি। আবার উপকারী পোকাও বাঁচাতে পারছি।’
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা অলক দাশ জানান,’নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের বিছামারাসহ কয়েকটি জায়গায় একযোগে এ আলোক ফাঁদ স্থাপন করেছি। কৃষকদের নিয়ে সরেজমিনে তা পরিদর্শন করে ধানের জমিতে উপকারী ও অপকারী পোঁকা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার পর কৃষকদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিয়েছি।’
নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুহিবুল ইসলাম জানান, আলোক ফাঁদ একটি সহজলভ্য ও স্বল্প খরচে পোঁকা দমন পদ্ধতি। কৃষকরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করে খুব সহজেই ক্ষতিকারক পোঁকামাকড় দমন ও উপকারী পোঁকা রক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।








