নিখোঁজের ৯ দিন পর বুধবার রাতে যুবকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রীর করা মামলায় গ্রেফতার তিন আসামিকে চার দিনের রিমান্ডে দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) মহানগর হাকিম আল ইমরান খানের আদালত এ আদেশ দেন। নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী শাহাবুদ্দীন আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আসামিরা হলেন নিখোঁজ যুবকের চাচাতো বোনের স্বামী ইরফান কবির, তার ভাই আরমান কবির ও ভগ্নিপতি (ইরফান কবিরের শ্যালিকার স্বামী) জিকু।
কাজী সাহাবুদ্দীন আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মঙ্গলবার গ্রেফতারের পর আসামিদের আদালতে তুলে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।’
এর আগে চাচাতো বোনের স্বামী ইরফানের কাছ থেকে টাকা আনতে গিয়ে নিখোঁজ হন সাঈদ। এ ঘটনায় ১৯ সেপ্টেম্বর ছয়জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন তার স্ত্রী ফাহমিদা আক্তার।
আসামিরা হলেন, এরফান কবির (২৬), আরমান কবির (২৪), সুরাইয়া বেগম হিনা (২৩), নাজমুন নাহার (৪৫), মোহাম্মদ জিকু (২২) ও পিয়া আকতার (১৮)।
নিহত সাঈদের স্ত্রী ফাহমিদা আক্তার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে সাঈদ পাওনা টাকা আনতে নিউমুরিং এলাকায় এরফানের বাসায় যান। এরপর থেকে তার আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে এরফানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি আমাকে জানান, সাঈদ তার বাসায় গেলে তাকে দেড় লাখ টাকা দেন। পরে কয়েকজন যুবক সাঈদকে খুঁজতে এলে সে তার বাসা থেকে দ্রুত বের হয়ে যায়।’
এরফান কবিরের কাছে কত টাকা পাওনা ছিল জানতে চাইলে ফাহমিদা বলেন, ‘তার কাছে সাঈদ আট লাখ টাকা পেতো। ওই দিন সাঈদকে ৩ লাখ টাকা দেওয়ার কথা ছিল।’
ইপিজেড থানার ওসি মীর নুরুল হুদা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গত ১৭ সেপ্টেম্বর সাঈদ নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ১৯ সেপ্টেম্বর তার স্ত্রী থানায় ৬ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। বুধবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে তার এক আত্মীয়ের বাসায় তল্লাশি করা হয়। পরে ওই বাসার একটি স্থানে মাটি খুঁড়ে সাঈদের লাশ উদ্ধার করা হয়।’








