কুমিল্লার বরুড়া আসনের জাতীয় পার্টির (এরশাদ) এমপি ও দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুল ইসলাম মিলনের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। শনিবার (৩ নভেম্বর) গভীর রাতে এমপির পক্ষে জাতীয় পার্টির স্থানীয় নেতা মো. ইব্রাহিম ও বরুড়া থানার এএসআই রবিউল আলম বাদী হয়ে ওই দুটি মামলা দায়ের করেন। রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ মামলার এজাহার নামীয় দুই আসামিসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে।
জানা যায়, শনিবার বিকালে বরুড়া উপজেলার চিতড্ডা ইউনিয়নের চিতড্ডা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার একটি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন স্থানীয় এমপি নুরুল ইসলাম মিলন। তিনি উপজেলার ঝলম বাজার এলাকায় পৌঁছানোর পর একদল যুবক তার গাড়ির গতিরোধ করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপসহ রড ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করে। এ ঘটনার জন্য এমপি মিলন ও তার নেতাকর্মীরা উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও সাবেক এমপি নাছিমুল আলম চৌধুরী গ্রুপের লোকজনকে দায়ী করেন।
এদিকে এমপি নুরুল ইসলাম মিলনের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় বরুড়া পৌরসভা জাতীয় যুবসংহতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম বাদী হয়ে ১১ জনকে এজাহার নামীয় ও ৭-৮ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে বরুড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এছাড়া পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বরুড়া থানার এএসআই রবিউল আলম ১৫/২০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে পৃথক আরও একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার বাদী পৌরসভা জাতীয় যুবসংহতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘হামলার ঘটনায় জড়িত মামলার আসামিরা স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী।’
রবিবার সন্ধ্যায় বরুড়া থানার ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘মামলায় উপজেলার ভঙ্গুয়া গ্রামের সুমন, জামাল, ওয়াসিম ও মাইনুদ্দিনসহ চারজনকে গ্রেফতার করে রবিবার বিকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’








