বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘দলছুট নেতাদের ঐক্যফ্রন্টে ভিড়িয়ে বিএনপির ভাঙাহাট জমেনি, বরং দুর্বল হয়েছে এবং জনসমর্থন কমেছে। শুধু কোম্পানীগঞ্জ, কবিরহাট বা নোয়াখালীতে নয়, সারা দেশেই নৌকার জোয়ার বইছে। দলছুট ও জনবিচ্ছিন্ন নেতারা যতই বিএনপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে অপতৎপরতা চালাক, কোনও লাভ হবে না। তারা তাদের ভাঙাহাট আর জমাতে পারবে না।’
আজ মঙ্গলবার (২৭ নভেম্বর) দুপুর ১টায় সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সল আহমেদের কাছে নিজের নির্বাচনি এলাকা নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর স্থানীয় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগের দাবির বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচনের এক মাস আগে এ ধরনের দাবির অর্থ হলো নির্বাচন বানচাল করা।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির মনোনয়ন প্রদান অনুষ্ঠানে তাদের দলীয় মহাসচিবের কান্নাই প্রমাণ করে তারা জনবিচ্ছিন্ন। তাদের জনপ্রিয়তা শূন্যের কোঠায়।’
এ সময় ওবায়দুল কাদের ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, ‘তিনি গতকাল দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে শোডাউন করে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। কিন্তু আমি তা করিনি। আমি আমার ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করে এখানে এসেছি। সরকারি কোনও কিছুই ব্যবহার করিনি। এটা কি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নয়?’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ইনশআল্লাহ ৩০ ডিসেম্বরে নৌকা ভাসতে ভাসতে বন্দরে পৌঁছাবে।’
এ সময় ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি, বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. সাহাব উদ্দিন, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হক নাজিম, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি খিজির হায়াত খান, সাধারণ সম্পাদক নূরনবী চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল, কবিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল আমিন রুমি, সাধারণ সম্পাদক ও কবিরহাট পৌরসভার মেয়র জহিরুল হক রায়হান, নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র শহীদ উল্লাহ খান সোহেল ও স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদের সদস্য ফখরুল ইসলাম রাহাত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।








