নিজ নির্বাচনি এলাকায় গণসংযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি সোমবার (৩ ডিসেম্বর) বিকালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের চাপরাশিরহাট, রামপুর ইউনিয়নের বামনী বাজার, মুছাপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার, রংমালা বাজার ও চরহাজারী ইউনিয়নের শান্তিরহাট এলাকায় গণসংযোগ করেছেন। মওদুদ আহমদ নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট উপজেলা) আসনে বিএনপির প্রার্থী। এই আসনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও এমপি প্রার্থী।
গণসংযোগের আগে মওদুদ আহমদ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামে তার নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
মওদুদ আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘নিরপেক্ষ নির্বাচনের ন্যূনতম পরিবেশ এখনও সৃষ্টি হয়নি। নির্বাচনের পরিবেশ যদি থাকে, তাহলে ধানের শীষের প্রার্থী বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করবে। সারাদেশে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। যদি সরকার গ্রেফতার বন্ধ করে, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়; তাহলে সারাদেশে ধানের শীষ বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে।’
বিএনপির ৮১জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল প্রসঙ্গে মওদুদ আহমদ বলেন, ‘আমরা আইনের আশ্রয় নেবো। হাইকোর্ট ডিভিশনে রিট দায়ের করে চ্যাঞ্জেল করা হবে।’
জোটসঙ্গীদের আসন দেওয়ার ব্যাপারে মওদুদ আহমদ বলেন, ‘আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বলিনি নিজেদের জন্য ও ঐক্যফ্রন্টের জন্য কত আসন দেওয়া হবে। কাকে কত আসন দেওয়া হবে, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কথাবার্তা চলছে। ধানের শীষের জনপ্রিয়তার পাশাপাশি যদি প্রার্থীর জনপ্রিয়তা থাকে, তাহলে আমরা তাকে অগ্রাধিকার দেবো। যদি প্রার্থীর জনপ্রিয়তা থাকে, আমরা প্রয়োজনে বেশি আসন দেবো। বেশি আসন দিতে কোনও সমস্যা নাই। প্রার্থী ঐক্য ফ্রন্টের হোক, জোটের হোক কিংবা বিএনপির হোক; নির্ভর করবে তার জনপ্রিয়তার ওপর।’
মওদুদ আহমদ বলেন, ‘আমরা বরাবর বলে আসছি নির্বাচন কমিশন সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়ন করার জন্য কাজ করছে। সরকার চায়নি বিরোধীদল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। সেজন্য সরকার এখনও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। আমাদের একটি দাবিও সরকার মানেনি। বরং নির্বাচনে যাতে আমরা অংশগ্রহণ না করি, সেজন্য এখন পর্যন্ত গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রেখেছে। বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে আইন শৃঙ্খলাবাহিনী এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার অব্যাহত রেখেছে। প্রতিনিয়ত নিরীহ লোকজন হয়রানির শিকার হচ্ছে। সম্ভাব্য এজেন্টদের বাড়ি-বাড়ি গিয়ে গ্রেফতার ও নজরদারি করা হচ্ছে।’
এ সময় তার স্ত্রী সাবেক এমপি হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আহছান উল্যাহ মানিক, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ও পৌর যুবদলের সভাপতি শওকত হোসেন সগীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।








